ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী  কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে অবরুদ্ধ এমপি আমির হামজা প্রান্তিক কৃষকদের পাশে ব্র্যাক: বাউফলে ১০০ কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ বিতরণ ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?: বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন এবার লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে ডিএমপি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!: সমালোচনার জবাবে মাদানী ভারত থেকে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি করলো বাংলাদেশ রাজনীতিতে আর জড়াতে চান না দেব, ফিরছেন অভিনয়ে রাজধানীর সব বাসায় সোলার বসানোর উদ্যোগ সরকারের

হাসিনার গড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আলোচিত যত রায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৫৮ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠন করে। মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পর শুরু হওয়া এই বিচার কার্যক্রমে গত ১৫ বছরে মোট ৫৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে; পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর এবং একজন বিএনপির শীর্ষ নেতা।

ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর নানা বিতর্ক, আইনি চ্যালেঞ্জ ও সাক্ষীর সমস্যার মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম চলেছে। notable রায়গুলোর মধ্যে কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাশেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রভৃতি নেতাদের মৃত্যুদণ্ড উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, প্রথমবারের মতো মামলার পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে আপিলে খালাস পাওয়ার ঘটনা এটিএম আজহারুল ইসলামের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

গত বছরের জুলাইয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা বিচারাধীন এবং অন্তত ৩৭টি মামলার তদন্ত চলছে।

আজ, ১৭ নভেম্বর, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচটি অভিযুক্তি তোলা হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকও পলাতক এবং গ্রেফতারকৃত হিসেবে একজন সাবেক আইজিপি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এর অধীনে পরিচালিত এই বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের Accountability নিশ্চিত করা হচ্ছে।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী 

হাসিনার গড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আলোচিত যত রায়

আপডেট সময় ০৮:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ২৫ মার্চ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) গঠন করে। মুক্তিযুদ্ধের ৩৯ বছর পর শুরু হওয়া এই বিচার কার্যক্রমে গত ১৫ বছরে মোট ৫৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে; পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর এবং একজন বিএনপির শীর্ষ নেতা।

ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর নানা বিতর্ক, আইনি চ্যালেঞ্জ ও সাক্ষীর সমস্যার মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম চলেছে। notable রায়গুলোর মধ্যে কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাশেম আলী, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রভৃতি নেতাদের মৃত্যুদণ্ড উল্লেখযোগ্য। এছাড়া, প্রথমবারের মতো মামলার পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে আপিলে খালাস পাওয়ার ঘটনা এটিএম আজহারুল ইসলামের ক্ষেত্রে ঘটেছে।

গত বছরের জুলাইয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনাল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার শুরু করে। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা বিচারাধীন এবং অন্তত ৩৭টি মামলার তদন্ত চলছে।

আজ, ১৭ নভেম্বর, পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণা হতে যাচ্ছে। এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতে ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচটি অভিযুক্তি তোলা হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকও পলাতক এবং গ্রেফতারকৃত হিসেবে একজন সাবেক আইজিপি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৭৩-এর অধীনে পরিচালিত এই বিচার কার্যক্রমের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের Accountability নিশ্চিত করা হচ্ছে।