মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো জবানবন্দি দিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক নাহিদ ইসলাম। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে দেওয়া এ জবানবন্দিতে তিনি বলেন, গত বছরের ৪ আগস্ট নতুন সরকার গঠনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা হয় এবং তাকে নতুন সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট শাহবাগে অবস্থান ও বিক্ষোভ হয় এবং সেদিনই ৬ আগস্ট “মার্চ টু ঢাকা” কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে হত্যাযজ্ঞ, কারফিউ, মোবাইল-ইন্টারনেট বন্ধ এবং নেতাদের গুমের পরিকল্পনা করায় তারা কর্মসূচি একদিন এগিয়ে ৫ আগস্ট পালন করেন।
জবানবন্দিতে তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ে আন্দোলনকারী নেতাদের গ্রেফতারের পর তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আন্দোলন প্রত্যাহারে বাধ্য করতে চেয়েছিল শেখ হাসিনা প্রশাসন। ১৬ জুলাই থেকেই গণমাধ্যমকে আন্দোলনের প্রকৃত তথ্য প্রকাশে নিরুৎসাহিত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছাদুজ্জামান কামালসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জুলাই গণহত্যার জন্য দায়ী। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানান তিনি।
এর আগে, বুধবারের জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম জুলাই আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দমন-পীড়নের বর্ণনা দেন।
অন্যদিকে, রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি ও আরও দুজনকে হত্যা মামলায় সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আজ আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনালের।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















