ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে জয়ী কিমের দল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

এবার উত্তর কোরিয়ায় ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গত রবিবার (১৫ মার্চ) দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৯৯.৯৯ শতাংশ ভোট পড়ে। এরমধ্যে কিম জংউনের ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নামমাত্র আইনসভা সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি (এসপিএ) এর জন্য ৬৮৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোর মতোই এবারও প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ভোটারদের সামনে কেবল একজন করে পূর্বঅনুমোদিত প্রার্থীকে উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং তাদেরকে শুধুমাত্র সমর্থন বা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

কেসিএনএ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৯৯.৯৯ শতাংশ। এ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মাত্র ০.০৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রে ভিন্নমতাবলম্বী ভোটাররা কারা হতে পারেন, তা নিয়ে পরিসংখ্যানটি দ্রুতই অনলাইনে ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নেটিজেনদের মাঝে এ নিয়ে বেশ কিছু মজাদার প্রতিক্রিয়াও ছড়িয়ে পড়ে, যার বেশিরভাগই ০.০৭ শতাংশ ভোটারকে অত্যন্তসাহসীঅথবামৃতবলে অভিহিত করেছেন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ ফলাফলকে জনগণের অবিচল ঐক্য এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি নিরঙ্কুশ সমর্থনের নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করলেও, বহিরাগত পর্যবেক্ষকরা বরাবরই এ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে, রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে আরও জানানো হয়, কিম জং উন একটি কয়লা খনিতে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি ও তার পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কয়লা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন। এ সময় কিম তার ছোট বোন কিম ইয়োজংসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শাসনকার্য চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশকে আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে জয়ী কিমের দল

আপডেট সময় ১০:৫৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

এবার উত্তর কোরিয়ায় ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। গত রবিবার (১৫ মার্চ) দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ৯৯.৯৯ শতাংশ ভোট পড়ে। এরমধ্যে কিম জংউনের ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নামমাত্র আইনসভা সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলি (এসপিএ) এর জন্য ৬৮৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। অতীতের নির্বাচনগুলোর মতোই এবারও প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ভোটারদের সামনে কেবল একজন করে পূর্বঅনুমোদিত প্রার্থীকে উপস্থাপন করা হয়েছিল এবং তাদেরকে শুধুমাত্র সমর্থন বা প্রত্যাখ্যান করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

কেসিএনএ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৯৯.৯৯ শতাংশ। এ নির্বাচনে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মাত্র ০.০৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত রাষ্ট্রে ভিন্নমতাবলম্বী ভোটাররা কারা হতে পারেন, তা নিয়ে পরিসংখ্যানটি দ্রুতই অনলাইনে ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নেটিজেনদের মাঝে এ নিয়ে বেশ কিছু মজাদার প্রতিক্রিয়াও ছড়িয়ে পড়ে, যার বেশিরভাগই ০.০৭ শতাংশ ভোটারকে অত্যন্তসাহসীঅথবামৃতবলে অভিহিত করেছেন।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ ফলাফলকে জনগণের অবিচল ঐক্য এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি নিরঙ্কুশ সমর্থনের নিদর্শন হিসেবে বর্ণনা করলেও, বহিরাগত পর্যবেক্ষকরা বরাবরই এ নির্বাচনি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে, রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে আরও জানানো হয়, কিম জং উন একটি কয়লা খনিতে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি ও তার পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কয়লা শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন। এ সময় কিম তার ছোট বোন কিম ইয়োজংসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শাসনকার্য চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশকে আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।