ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্স! আয়োজকরা চায় আমরা বাদ পড়ি: ইরানের অধিনায়ক নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল ‘কাশ্মিরি’ পরিবার ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা বাজেট নিয়ে এবার ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি : জয়নুল আবদীন চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

পদোন্নতি বাতিলের পর বিমানের সেই কর্মকর্তা এবার বরখাস্ত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বিতর্কিত কর্মকর্তা মিজানুর রশীদকে পদোন্নতি দিয়ে বাতিলের পর এবার বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিক এক আদেশ তাকে বরখাস্ত করা হয়।

 

বরখাস্তের আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লয়ীজ (সার্ভিস) রেগুলেশন্স, ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ৫৮-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মিজানকে বুধবার (২০ মে) থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি মোতাবেক তিনি খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন এবং বর্তমান ঠিকানায় অবস্থান করবেন।

এর আগে এক অফিস আদেশে মিজানুর রশীদকে ‘নির্বাহী পরিচালক’ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দুর্নীতিবাজ হওয়ায় তাকে পদোন্নতি দেওয়াতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর অফিস আদেশের কয়েক ঘণ্টাপরেই তার পদোন্নতি আদেশ বাতিল করা হয়।

 

উল্লেখ্য, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। কিন্তু দুদক বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

 

এর মধ্যেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও দেওয়া হয়, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চপদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই মিজানুর রশীদ এসব দায়িত্ব পেয়েছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন

পদোন্নতি বাতিলের পর বিমানের সেই কর্মকর্তা এবার বরখাস্ত

আপডেট সময় ০২:৩২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

 

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুর্নীতির অভিযোগ থাকা বিতর্কিত কর্মকর্তা মিজানুর রশীদকে পদোন্নতি দিয়ে বাতিলের পর এবার বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিক এক আদেশ তাকে বরখাস্ত করা হয়।

 

বরখাস্তের আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লয়ীজ (সার্ভিস) রেগুলেশন্স, ১৯৭৯ এর অনুচ্ছেদ ৫৮-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মিজানকে বুধবার (২০ মে) থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে বিধি মোতাবেক তিনি খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন এবং বর্তমান ঠিকানায় অবস্থান করবেন।

এর আগে এক অফিস আদেশে মিজানুর রশীদকে ‘নির্বাহী পরিচালক’ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। দুর্নীতিবাজ হওয়ায় তাকে পদোন্নতি দেওয়াতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর অফিস আদেশের কয়েক ঘণ্টাপরেই তার পদোন্নতি আদেশ বাতিল করা হয়।

 

উল্লেখ্য, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। কিন্তু দুদক বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।

 

এর মধ্যেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়। পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব এবং অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও দেওয়া হয়, যা মহাব্যবস্থাপকের চেয়ে উচ্চপদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, বিমানের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের একটি শক্তিশালী পক্ষের তদবিরেই মিজানুর রশীদ এসব দায়িত্ব পেয়েছিলেন।