ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে স্বর্ণ খনি ধসে প্রাণ গেল ১০৭ জনের নিজ জেলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা চোরাই মোটরসাইকেলসহ জামায়াত নেতার বাবা আটক​  ধরা পড়ে ‘শয়তানের’ ওপর দোষ চাপালেন মাদরাসাশিক্ষক ইসির প্রস্তুতি সম্পন্ন বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল-অলি আহমদের লড়াই নেতাকর্মীদের ‘বিদায়’ জানিয়ে মির্জা ফখরুলের স্ট্যাটাস জুনায়েদ বাবুনগরীর মতো আলেমের আজ বড়ই প্রয়োজন ফেসবুক পোস্টে: জামায়াত আমির ফের যুদ্ধ শুরু হলে ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাবে ইরান রাত পোহালে ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আগেরদিন যা বললেন সিইসি

ইশরাকের শপথে বাধা ‘সরকারি মহলের ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ’—ড. কনক সারওয়ার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচিত মেয়র ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. কনক সারওয়ার। তিনি দাবি করেন, আদালতের সুস্পষ্ট রায় ও সংবিধান লঙ্ঘন করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত আগামী জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এক আলোচনায় কনক সারওয়ার বলেন, হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ গত মাসে ইশরাক হোসেনের জয় বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিলেও নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিআইডি) গড়িমসি করেছে। গেজেটের মেয়াদ শেষ হয়েছে—এই অজুহাতে ইশরাকের শপথ আটকে রাখা হয়েছে, যা তিনি ‘আইনের মারপ্যাঁচ’ বলেই অভিহিত করেন।

এক্ষেত্রে এলজিআইডি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কনক সারওয়ার। তার মতে, আদালতের রায় কার্যকর করার দায়িত্ব থাকলেও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করেছেন, যা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ (সমান অধিকার), ৩১ (ন্যায়বিচার) ও ৫৯ (স্থানীয় শাসন) স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে ইশরাকের ক্ষেত্রে। এছাড়া স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনও ভঙ্গ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন ২০২০ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর শপথ গ্রহণের ঘটনাটি, যেখানে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ খানের হস্তক্ষেপে আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন হয়েছিল।

ড. সারওয়ার সতর্ক করে বলেন, “যদি একটি সিটি মেয়র পদেই আদালতের রায় অমান্য করা হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কিভাবে ন্যায়বিচার আশা করব?” তার মতে, সরকার বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতে ইশরাক ইস্যুকে ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল করে তুলেছে। বিষয়টি আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়েও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া

ইশরাকের শপথে বাধা ‘সরকারি মহলের ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ’—ড. কনক সারওয়ার

আপডেট সময় ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচিত মেয়র ইশরাক হোসেনের শপথ গ্রহণে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. কনক সারওয়ার। তিনি দাবি করেন, আদালতের সুস্পষ্ট রায় ও সংবিধান লঙ্ঘন করে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত আগামী জাতীয় নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এক আলোচনায় কনক সারওয়ার বলেন, হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ গত মাসে ইশরাক হোসেনের জয় বৈধ ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিলেও নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিআইডি) গড়িমসি করেছে। গেজেটের মেয়াদ শেষ হয়েছে—এই অজুহাতে ইশরাকের শপথ আটকে রাখা হয়েছে, যা তিনি ‘আইনের মারপ্যাঁচ’ বলেই অভিহিত করেন।

এক্ষেত্রে এলজিআইডি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কনক সারওয়ার। তার মতে, আদালতের রায় কার্যকর করার দায়িত্ব থাকলেও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্ব করেছেন, যা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ (সমান অধিকার), ৩১ (ন্যায়বিচার) ও ৫৯ (স্থানীয় শাসন) স্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে ইশরাকের ক্ষেত্রে। এছাড়া স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনও ভঙ্গ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন ২০২০ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর শপথ গ্রহণের ঘটনাটি, যেখানে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ খানের হস্তক্ষেপে আদালতের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন হয়েছিল।

ড. সারওয়ার সতর্ক করে বলেন, “যদি একটি সিটি মেয়র পদেই আদালতের রায় অমান্য করা হয়, তাহলে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কিভাবে ন্যায়বিচার আশা করব?” তার মতে, সরকার বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতে ইশরাক ইস্যুকে ইচ্ছাকৃতভাবে জটিল করে তুলেছে। বিষয়টি আগামী নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়েও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।