ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম, টালমাটাল তৃণমূলে নতুন ধাক্কা

জাতীয়ভাবে পালন হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, পরিপত্র জারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবেজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এজন্য সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে পরিপত্রে এ দিবসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণশ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আরেকটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে এ সংশোধন এনেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসশ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে। এজন্যজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসমন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রেরশ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।

উক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে পরিপত্রে। সর্বশেষ গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। সেখানে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের বিষয়টি ছিল না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই দিবসের কোন স্বীকৃতি ছিল না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহীজনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন।‌ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকেমুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবসহিসেবে পালন করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা

জাতীয়ভাবে পালন হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, পরিপত্র জারি

আপডেট সময় ১১:২৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে পালিত হবেজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এজন্য সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে পরিপত্রে এ দিবসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণশ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আরেকটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে এ সংশোধন এনেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, প্রতি বছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসশ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হবে। এজন্যজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসমন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১১ মার্চ জারি করা পরিপত্রেরশ্রেণিভুক্ত দিবসের তালিকায় যথাস্থানে সন্নিবেশিত হিসেবে গণ্য হবে।

উক্ত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে অনুরোধ জানানো হয়েছে পরিপত্রে। সর্বশেষ গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়। সেখানে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের বিষয়টি ছিল না। এছাড়া বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এই দিবসের কোন স্বীকৃতি ছিল না।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহীজনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত হয়। কর্নেল (অব.) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানে জেনারেল জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান, পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসেন।‌ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে মূলত ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সরকারি ছুটি হিসেবে পালিত হয়। এই বিপ্লবের বিরোধী ও সমালোচক গোষ্ঠী, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ বিপ্লবীদের আক্রমণে খালেদ মোশাররফসহ আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর প্রতিবাদে এই দিনটিকেমুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবসহিসেবে পালন করে।