ঢাকা , বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি ব্রেনের ফোলা কমেনি, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি: চিকিৎসক হাদির অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন, অপারেশনের অপেক্ষায় ডাক্তাররা বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ছাত্রদল নেতা আটক ফয়াসলই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল: ফয়সালের সহযোগী জামায়াত যুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ভারতের বিরুদ্ধে : আমির হামজা মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের নামে দেশকে বিভাজন করা যাবে না ফিরছেন তারেক রহমান, বাসভবন-অফিস প্রস্তুত বিজয় দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানে বিএনপির দলীয় স্লোগান, ইউএনওর বাধা ওসমান হাদিকে গুলি করা ফয়সালের সহযোগী কবির ৭ দিনের রিমান্ডে

২০০–র বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগ্রহী জামায়াত, সমান অবস্থান চায় ইসলামী আন্দোলন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৮৭ বার পড়া হয়েছে

কওমি মাদ্রাসা ঘরানা ও তাবলিগের বড় অংশের সমর্থন নিয়ে দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যদিকে নির্বাচনী সমঝোতায় থাকা আট দলীয় প্ল্যাটফর্মে সংখ্যাগতভাবে সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আছে জামায়াতে ইসলামী, যারা অতীতেও একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে।

সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্য উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক কেন্দ্রীয় নেতা জানান, তাদের লক্ষ্য জামায়াতের সমানসংখ্যক আসনে প্রার্থী দেওয়া। তাঁর ভাষায়, “৩০০ আসনের জন্যই আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০ আসনে নিজেদের অবস্থানকে আমরা যথেষ্ট শক্তিশালী মনে করি।” তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সমঝোতার ওপর এবং প্রার্থী নিজ এলাকায় কতটা গ্রহণযোগ্য—এই বিষয়টির ওপর।

অপরদিকে জামায়াতের বিভিন্ন সূত্র বলছে, তারা ২০০–রও বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী এবং সারাদেশে নিজেদের সংগঠনকে শক্ত অবস্থানে দেখছে। গত অক্টোবরে খুলনার এক সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রয়োজন হলে সমঝোতার কারণে কিছু আসন ছাড় দিতে হতে পারে, “তবে অন্তত ২০০ আসনে আমরা প্রার্থী দেব।”

জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণ শাখার শুরা সদস্যদের একজন জানান, যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শক্ত অবস্থান ধরে রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চায় তারা। তাঁর মতে, আলোচনা ২৩৩–২৪০ আসনকে কেন্দ্র করে এগোতে পারে, যদিও শেষ পর্যন্ত হিসাব ২০০-তেই নেমে আসতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমাদ জানান, তাদের প্রায় ১৫০ আসনে “ভালো সম্ভাবনা” রয়েছে। তিনি বলেন, “যেখানে যার প্রার্থী দেওয়া হবে, আট দলের কর্মীরাই একসঙ্গে কাজ করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জোটগত আলোচনার ওপর।”

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জানান, তারা সর্বোচ্চ সমঝোতার ভিত্তিতেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন। “ডিসেম্বরে শুরুতেই যৌথভাবে প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কোন আসনে জয়ের মতো জনসমর্থন আছে।”

তিনি আরও বলেন, যে দল থেকেই প্রার্থী মনোনীত হোক না কেন, মাঠ পর্যায়ে সংগঠন ধরে রাখা হবে এবং প্রয়োজনে নির্বাচনী ব্যয়ও ভাগাভাগি করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদির দ্রুত ফেরার সম্ভাবনা নেই, লম্বা সময় থাকতে হতে পারে আইসিইউতে: ডা. রাফি

২০০–র বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগ্রহী জামায়াত, সমান অবস্থান চায় ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় ০৩:৩১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

কওমি মাদ্রাসা ঘরানা ও তাবলিগের বড় অংশের সমর্থন নিয়ে দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক অঙ্গনে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যদিকে নির্বাচনী সমঝোতায় থাকা আট দলীয় প্ল্যাটফর্মে সংখ্যাগতভাবে সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আছে জামায়াতে ইসলামী, যারা অতীতেও একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছে।

সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্য উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক কেন্দ্রীয় নেতা জানান, তাদের লক্ষ্য জামায়াতের সমানসংখ্যক আসনে প্রার্থী দেওয়া। তাঁর ভাষায়, “৩০০ আসনের জন্যই আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০০ আসনে নিজেদের অবস্থানকে আমরা যথেষ্ট শক্তিশালী মনে করি।” তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে সমঝোতার ওপর এবং প্রার্থী নিজ এলাকায় কতটা গ্রহণযোগ্য—এই বিষয়টির ওপর।

অপরদিকে জামায়াতের বিভিন্ন সূত্র বলছে, তারা ২০০–রও বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী এবং সারাদেশে নিজেদের সংগঠনকে শক্ত অবস্থানে দেখছে। গত অক্টোবরে খুলনার এক সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রয়োজন হলে সমঝোতার কারণে কিছু আসন ছাড় দিতে হতে পারে, “তবে অন্তত ২০০ আসনে আমরা প্রার্থী দেব।”

জামায়াতের ঢাকা দক্ষিণ শাখার শুরা সদস্যদের একজন জানান, যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে শক্ত অবস্থান ধরে রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চায় তারা। তাঁর মতে, আলোচনা ২৩৩–২৪০ আসনকে কেন্দ্র করে এগোতে পারে, যদিও শেষ পর্যন্ত হিসাব ২০০-তেই নেমে আসতে পারে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহমাদ জানান, তাদের প্রায় ১৫০ আসনে “ভালো সম্ভাবনা” রয়েছে। তিনি বলেন, “যেখানে যার প্রার্থী দেওয়া হবে, আট দলের কর্মীরাই একসঙ্গে কাজ করবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে জোটগত আলোচনার ওপর।”

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জানান, তারা সর্বোচ্চ সমঝোতার ভিত্তিতেই প্রার্থী ঘোষণা করবেন। “ডিসেম্বরে শুরুতেই যৌথভাবে প্রার্থী ঘোষণা করতে চাই। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কোন আসনে জয়ের মতো জনসমর্থন আছে।”

তিনি আরও বলেন, যে দল থেকেই প্রার্থী মনোনীত হোক না কেন, মাঠ পর্যায়ে সংগঠন ধরে রাখা হবে এবং প্রয়োজনে নির্বাচনী ব্যয়ও ভাগাভাগি করা হবে।