অ্যাঙ্গোলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেঙ্গো প্রদেশে একটি অবৈধ স্বর্ণখনিতে ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনই একই পরিবারের সদস্য বলে জানিয়েছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম ইয়েনি সাফাক।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত শনিবার (২৩ মে) খনিটি ধসে পড়ার পর ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। প্রাদেশিক সিভিল প্রোটেকশন ও ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এরপর অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের বয়স ১৬ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। জরুরি বিভাগের এক কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, নিহতদের মধ্যে ১৩ জন একই পরিবারের সদস্য ছিলেন।

পুলিশ জানায়, খনিশ্রমিকরা একটি অনিয়ন্ত্রিত খনিতে স্বর্ণ উত্তোলনের কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ খনিটি ধসে পড়ে। ধসের পর আরও মরদেহের সন্ধানেও অভিযান চালানো হচ্ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অ্যাঙ্গোলায় দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ খনন কার্যক্রম মূলত হীরাখাতের সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে খনি শিল্পে বৈচিত্র্য আনার সরকারি উদ্যোগের ফলে দেশটিতে ক্ষুদ্র পরিসরে স্বর্ণ উত্তোলন কার্যক্রম বেড়েছে।

আফ্রিকার অন্যতম প্রধান হীরা উৎপাদনকারী দেশ অ্যাঙ্গোলা। বিশ্ববাজারে হীরার দাম কমে যাওয়া এবং কৃত্রিম হীরার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ক্রমেই স্বর্ণ ও তামার মতো ধাতব সম্পদের দিকে ঝুঁকছে দেশটি। অ্যাঙ্গোলা প্রেস এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র বেঙ্গো প্রদেশেই প্রায় ৭ হাজার অবৈধ খনিশ্রমিক স্বর্ণ উত্তোলন কার্যক্রমে জড়িত রয়েছেন বলে ধারণা করছেন কর্মকর্তারা।