ঢাকা , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ট্রাম্পকে সমর্থনের অভিযোগে ইনফান্তিনোকে অব্যাহতি দিল আইওসি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি—আইওসি।

শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় নিয়ম অনুযায়ী পরের ম্যাচে বালোগানের নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে এক বছরের জন্য তার নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা স্থগিত করে। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি।

এই সিদ্ধান্তের পর ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর ফোনালাপের পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার দাবি করে, এতে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য আইওসির কাছে আবেদন জানায়।

তবে আইওসি জানিয়েছে, এটি ফিফার অভ্যন্তরীণ শাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। অলিম্পিক সনদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনায় স্বাধীন। তাই এ অভিযোগ আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। ফলে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি খারিজ করে দিয়েছে সংস্থাটি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পকে সমর্থনের অভিযোগে ইনফান্তিনোকে অব্যাহতি দিল আইওসি

ট্রাম্পকে সমর্থনের অভিযোগে ইনফান্তিনোকে অব্যাহতি দিল আইওসি

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি—আইওসি।

শেষ ষোলোর ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় নিয়ম অনুযায়ী পরের ম্যাচে বালোগানের নিষিদ্ধ থাকার কথা ছিল। তবে ফিফা ডিসিপ্লিনারি কোডের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে এক বছরের জন্য তার নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা স্থগিত করে। ফলে বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি।

এই সিদ্ধান্তের পর ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর ফোনালাপের পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কোয়ার দাবি করে, এতে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের জন্য আইওসির কাছে আবেদন জানায়।

তবে আইওসি জানিয়েছে, এটি ফিফার অভ্যন্তরীণ শাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। অলিম্পিক সনদ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনায় স্বাধীন। তাই এ অভিযোগ আইওসির নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। ফলে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি খারিজ করে দিয়েছে সংস্থাটি।