জামায়াতে ইসলামী’র সহকারী সেক্রেটারি-জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান শনিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৫) সিরাজগঞ্জ জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে আয়োজিত ষাণ্মাসিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন:
- গত ৫৩ বছরে যারা এ দেশ শাসন করেছে, একদল তাদের কৃতকর্মের কারণে বিতাড়িত হয়েছে, অন্য দল চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
- তাই জনগণ এখন বলছে: “সব দল দেখা শেষ, এবার জামায়াতের বাংলাদেশ”।
- যদি জামায়াত সুযোগ পায়, তারা রাজা হবে না, কাউকে প্রজা বানাবে না; দুর্নীতিমুক্ত ও চাঁদাবাজ-দখলবাজ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাইবে।
- প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ মুক্ত করতে হবে; প্রশাসন একটি দলের নয়, পুরো রাষ্ট্রের ব্যাপার।
- অমুসলিম নাগরিকরাও সমান অধিকার ভোগ করবেন; সকলকে মিলে একটি নতুন, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি।
- তিনি আরও বলেন, আগামী নভেম্বরের মধ্যে গণভোট ঘোষণা করা জরুরি — যেন লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি হয়।
প্রসঙ্গভিত্তিক কিছু ব্যাখ্যা
- এই বক্তব্যে জামায়াত মূলত গত শাসকদলগুলোর দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-দখল-শাসন-ব্যবস্থার সমালোচনা করেছে এবং নিজেদের একটি বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
- “জুলাই বিপ্লব” নামে উল্লেখিত বিষয়টি রাজনৈতিক প্রচলিত ভাষায় একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে এসেছে; তিনি বলছেন তা বাস্তবায়নের জন্য আইনগত ভিত্তি ও দ্রুত গণভোট জরুরি।
- নারীদের শিক্ষাগত এবং কর্মজীবী সুযোগ প্রসারিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

