ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে, শৃঙ্খলা না মানলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: পুলিশদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি চাকরি পেতে নেতার ফোন কেন: প্রশ্ন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে: প্রশ্ন জামায়াত আমিরের একটি সন্ত্রাসী দেশ আমাকে প্রশ্ন করছে: পাকিস্তানি সাংবাদিককে জয়শঙ্কর অচেনা মোবাইল নম্বর থেকে হুমকি, থানায় জিডি করলেন অপ্রতিমের বাবা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা হারাম: পেজেশকিয়ান সাদিক কায়েমকে নারীদের খেলাধুলা ও পোশাকের বিষয়ে সতর্ক করলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী শাশুড়িকে সম্মান না করায় ছেলেকে চড়, পরে বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা বিনিময়ে বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ট্যুরে যেতে টিকিট কেটে দেয়ার অফার দেয় শিক্ষক, ছাত্রদল নেত্রীর পোস্ট সময়মতো যুদ্ধের অস্ত্র পৌঁছে অথচ কৃষক সার পায় না: জাতিসংঘে নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে, শৃঙ্খলা না মানলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা: পুলিশদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’