ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপির সংসদীয় দল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জুবাইদার সাথে শাড়ি পরে জাইমা রহমান বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে কোনো শপথই নেবেন না ১১ দলীয় জোট অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আমীর খসরু গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন মির্জা আব্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে না বিএনপির এমপিরা: সালাহউদ্দিন সৌদি আরবের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রথম রোজার তারিখ প্রকাশ সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু, পাঠ করাচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নতুন মন্ত্রিসভায় প্রায় ৪০ সদস্য, শেষ মুহূর্তে আলোচনায় যাদের নাম

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপির সংসদীয় দল

নারীদেরকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য, জামায়াত নেতার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১১:২৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা তার জিহ্বা ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি দেন। এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল।’

এদিকে জামায়াত নেতার এ বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে নারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায়-আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয়, তখন তার কোনো প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।

তিনি বলেন, ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোনো সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা তাদের ‘বাপ’ জামায়াতের নির্বাচনী প্রচার করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা তাদের ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।’