ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী জাহাজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজে এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, জাহাজে আনা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ সূচিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও নতুন এই চালান পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জাহাজ আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডিজেল ও জেট ফুয়েলবাহী জাহাজটি বৃহস্পতিবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিপিসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বিলম্বের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে তেল নিয়ে মোট ১৭টি জাহাজ দেশে আসার কথা থাকলেও এর আগে এসেছে আটটি এবং বৃহস্পতিবার এসেছে আরও একটি। বাকি ছয়টি জাহাজের আগমনের সূচি এখনও অনিশ্চিত।

বাংলাদেশ সাধারণত সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে। বছরে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল, যা প্রধানত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল দেশে এনে পরিশোধন করা হয় এবং বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী জাহাজ

আপডেট সময় ০৮:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির চাপের মধ্যেই ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে একটি জাহাজ বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছেছে। চীনের প্রতিষ্ঠান ইউনিপেকের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের জাহাজে এই জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, জাহাজে আনা ডিজেল পরিবহন ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সরবরাহ করা হবে। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহ সূচিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও নতুন এই চালান পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জাহাজ আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডিজেল ও জেট ফুয়েলবাহী জাহাজটি বৃহস্পতিবার সকালে দেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই এবং বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিপিসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ বিলম্বের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে তেল নিয়ে মোট ১৭টি জাহাজ দেশে আসার কথা থাকলেও এর আগে এসেছে আটটি এবং বৃহস্পতিবার এসেছে আরও একটি। বাকি ছয়টি জাহাজের আগমনের সূচি এখনও অনিশ্চিত।

বাংলাদেশ সাধারণত সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে। বছরে প্রায় ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল, যা প্রধানত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে। মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল দেশে এনে পরিশোধন করা হয় এবং বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।