সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সমাপনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, সদস্যরা—including বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার—উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কমিশন গঠন থেকে সুপারিশ চূড়ান্ত করার প্রতিটি ধাপ সুনির্দিষ্টভাবে সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভিডিও, অডিও ও ছবিসহ সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথিপত্র সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া কমিশন সদস্যরা শুধু জুলাই জাতীয় সনদের রূপরেখা নয়, অন্যান্য সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্যও সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রফেসর আলী রীয়াজ বলেন, “২৪ তারিখের ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থান আমাদের যে সুযোগ দিয়েছে, সেটা যেন হারিয়ে না ফেলি। কমিশন সংস্কারকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে জনগণ কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখতে পারে।”
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সবাই সরকারের নিবিষ্টতা ও সাহসিকতা প্রত্যাশা করে। গণঅভ্যুত্থানে এত তাজা প্রাণ ঝরে গেল, এত মানুষ আহত হলো—এটা স্মরণে রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার যাতে নিশ্চিত হয়। এই সুযোগ যেন না হারাই।”
কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে ৩১ অক্টোবর। এরপরও প্রয়োজনে তারা ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রস্তুতি জানিয়েছেন।

