ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা জন্মদিনের দিনই ঝুলন্ত মরদেহ, রহস্য ঘনীভূত বিমানবন্দর লোডারের মৃত্যুতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা, পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি আবারও আ. লীগের ফাঁদে পড়েছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন বাংলাদেশে যৌথ ড্রোন কারখানা গড়তে চায় তুরস্ক তুরস্ক বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু: জামায়াত আমির ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে মার্কিন নৌবহরকে সতর্কবার্তা দিল ইরান লালমনিরহাটের তিন সীমান্তে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম, টালমাটাল তৃণমূলে নতুন ধাক্কা

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন, ১৪ ডিসেম্বর দেবেন বিদায়ী ভাষণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৮৭ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বৃহস্পতিবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অবসরের আগে তিনি ১৪ ডিসেম্বর দেশের বিচারকদের উদ্দেশে তার বিদায়ী ভাষণ দেবেন।

সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির বয়সসীমা ৬৭ বছর, যা পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। বিদায়ী ভাষণটি সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে দেশের জেলা আদালতে কর্মরত উচ্চ পদমর্যাদার বিচারকরা উপস্থিত থাকবেন। এতে প্রধান বিচারপতি দেশের সব জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে ‘বিদায়ী অভিভাষণ’ প্রদান করবেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হিসেবে ১০ আগস্ট তাকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং পরদিন তিনি শপথ নেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার ও উন্নয়নে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। আগামী বিদায়ী ভাষণে তিনি গত দেড় বছরে গ্রহণকৃত পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে:

  • চলমান বিচার বিভাগীয় সংস্কার
  • প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ
  • বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি
  • আদালতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
  • নিচের আদালতের বিচারকদের সক্ষমতা উন্নয়ন
  • বিচারপ্রার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ
  • মামলার জট কমানো

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর তিনি দেশের সব বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামনে বিচার বিভাগের সংস্কারের রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন। সেখানে পৃথক সচিবালয় গঠন, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধসহ নানা সংস্কারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

গত দেড় বছরে ওই রোডম্যাপের আলোকে বিচার বিভাগে বিস্তৃত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে সরকার ২০ নভেম্বর বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়। নতুন এই সচিবালয় উচ্চ আদালতের অধীনে পরিচালিত হবে এবং একই দিনে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।


 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরলেই অর্ধেক ফি, বিশ্বকাপ উপলক্ষে চিকিৎসকের বিশেষ ঘোষণা

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন, ১৪ ডিসেম্বর দেবেন বিদায়ী ভাষণ

আপডেট সময় ০৯:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বৃহস্পতিবারের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অবসরের আগে তিনি ১৪ ডিসেম্বর দেশের বিচারকদের উদ্দেশে তার বিদায়ী ভাষণ দেবেন।

সংবিধান অনুযায়ী প্রধান বিচারপতির বয়সসীমা ৬৭ বছর, যা পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসর গ্রহণ করবেন। বিদায়ী ভাষণটি সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে দেশের জেলা আদালতে কর্মরত উচ্চ পদমর্যাদার বিচারকরা উপস্থিত থাকবেন। এতে প্রধান বিচারপতি দেশের সব জেলা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে ‘বিদায়ী অভিভাষণ’ প্রদান করবেন।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি হিসেবে ১০ আগস্ট তাকে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং পরদিন তিনি শপথ নেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিচার বিভাগের সংস্কার ও উন্নয়নে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন। আগামী বিদায়ী ভাষণে তিনি গত দেড় বছরে গ্রহণকৃত পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। এতে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে:

  • চলমান বিচার বিভাগীয় সংস্কার
  • প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ
  • বিচারকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি
  • আদালতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
  • নিচের আদালতের বিচারকদের সক্ষমতা উন্নয়ন
  • বিচারপ্রার্থীদের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণ
  • মামলার জট কমানো

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর তিনি দেশের সব বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামনে বিচার বিভাগের সংস্কারের রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন। সেখানে পৃথক সচিবালয় গঠন, উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন, বিচার বিভাগে দুর্নীতি প্রতিরোধসহ নানা সংস্কারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

গত দেড় বছরে ওই রোডম্যাপের আলোকে বিচার বিভাগে বিস্তৃত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে সরকার ২০ নভেম্বর বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়। নতুন এই সচিবালয় উচ্চ আদালতের অধীনে পরিচালিত হবে এবং একই দিনে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।