সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। নির্বাচন কমিশনও ধাপে ধাপে সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে। মাঝের এই সময়ে বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানো এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি কিছুটা এগিয়ে রাখতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
Advertisement
দলটির স্থানীয় কয়েকজন নেতা জানান, ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে সিনিয়র নেতাদের নির্দেশনা পেয়েছেন তারা। বিশেষ করে ঈদের ছুটিতে সম্ভাব্য ও প্রাথমিকভাবে প্রার্থীরা যেন সাধারণ মানুষের কাছে যান, তাদের কথা শোনেন, পাশে থাকেন; তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া জামায়াতের অধিকাংশ শীর্ষ নেতাদের নিজ এলাকায় ঈদ করতে বলা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বার্তা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াত নেতারা জানান, সম্ভাব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ঈদে সাংগঠনিক শক্তি যাচাই ও জনসমর্থন বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য।
দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগ প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, ঈদে জনগণের কাছে যাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ। দলের নেতাদের তাই জনসংযোগে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোরবানি ঈদের পর মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে বাকিগুলো নাম ঘোষণা করা হবে।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, পৌরসভা, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















