ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ কেরোসিন তেল কি অপবিত্র মে মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকবে

যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চায় ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

এই সপ্তাহে যখন একজন ইরানি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করতে কতগুলো শর্ত পেশ করেন, তখন তিনি এমন একটি বিষয় যোগ করেন যা তেহরানের তালিকায় আগে ছিল না। নতুন শর্ত হচ্ছে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি। এই সংকীর্ণ জলপথটি, যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রায় একপঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) চলাচল করে। এই জলপথটি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এখন এটিকে বার্ষিক সম্ভাব্য শত শত কোটি ডলার আয়ের উৎস এবং বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার চেষ্টা করছে ইরান।

আক্রমণ হলে প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি ইরান দীর্ঘদিন ধরে দিয়ে আসছে, কিন্তু খুব কম মানুষ আশা করেছিল যে তারা তা কার্যকর করবে। এই প্রণালি বন্ধের প্রভাবের মাত্রা তেহরানের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন দাবিগুলো থেকে বোঝা যায় যে তারা এই প্রভাবকে আরো টেকসই করতে চাইছে। ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক প্রধান দিনা এসফান্দিয়ারি বলেন, ‘হরমুজ কৌশল কতটা সফল হয়েছেবৈশ্বিক অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা কতটা সহজ ও সস্তা তা দেখে ইরান কিছুটা হতবাক হয়েছে। আয়ের নতুন উৎস হিসেবে তারা এখন একে কাজে লাগাতে চাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতি ইঙ্গিত করে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিজের প্রথম ভাষণে মোজতবা খামেনি বলেছেন, এই জলপথ অবরোধের সুযোগ অবশ্যই ব্যবহার করা হবে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যদি সত্যিই টোল আদায় শুরু করতে পারে, তবে তাদের মাসিক আয় মিসরের সুয়েজ খালকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। সিএনএনের এক হিসাব বলছে, প্রতিদিন এ পথ দিয়ে যাওয়া প্রতিটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি নিতে পারলে ইরানের মাসে আয় হবে ৮০ কোটি ডলারেরও বেশি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল

যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চায় ইরান

আপডেট সময় ০১:৪২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

এই সপ্তাহে যখন একজন ইরানি কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করতে কতগুলো শর্ত পেশ করেন, তখন তিনি এমন একটি বিষয় যোগ করেন যা তেহরানের তালিকায় আগে ছিল না। নতুন শর্ত হচ্ছে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি। এই সংকীর্ণ জলপথটি, যার মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রায় একপঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) চলাচল করে। এই জলপথটি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এখন এটিকে বার্ষিক সম্ভাব্য শত শত কোটি ডলার আয়ের উৎস এবং বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার চেষ্টা করছে ইরান।

আক্রমণ হলে প্রণালিটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি ইরান দীর্ঘদিন ধরে দিয়ে আসছে, কিন্তু খুব কম মানুষ আশা করেছিল যে তারা তা কার্যকর করবে। এই প্রণালি বন্ধের প্রভাবের মাত্রা তেহরানের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। নতুন দাবিগুলো থেকে বোঝা যায় যে তারা এই প্রভাবকে আরো টেকসই করতে চাইছে। ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক প্রধান দিনা এসফান্দিয়ারি বলেন, ‘হরমুজ কৌশল কতটা সফল হয়েছেবৈশ্বিক অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা কতটা সহজ ও সস্তা তা দেখে ইরান কিছুটা হতবাক হয়েছে। আয়ের নতুন উৎস হিসেবে তারা এখন একে কাজে লাগাতে চাচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বের প্রতি ইঙ্গিত করে, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিজের প্রথম ভাষণে মোজতবা খামেনি বলেছেন, এই জলপথ অবরোধের সুযোগ অবশ্যই ব্যবহার করা হবে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান যদি সত্যিই টোল আদায় শুরু করতে পারে, তবে তাদের মাসিক আয় মিসরের সুয়েজ খালকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। সিএনএনের এক হিসাব বলছে, প্রতিদিন এ পথ দিয়ে যাওয়া প্রতিটি বড় তেলবাহী ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি নিতে পারলে ইরানের মাসে আয় হবে ৮০ কোটি ডলারেরও বেশি।