ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে আমিরাতকে তছনছ করা হবে: ইরানি কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এখন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল হামলা চালায় তাহলে আমিরাতকে তছনছ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাদের বিশ্বাস, এই স্থল হামলা হবে আমিরাত থেকে। এ কারণে আমিরাতকেই তারা সরাসরি শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালাবেন। সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা এমন হুমকি দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর যৌথ হামলার পর যুদ্ধ এক মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। এখন এই প্রণালি খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল হামলার পরিকল্পনা করছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মার্কিনিদের স্থল হামলার টার্গেট হবে খার্গ দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে।

আর মার্কিনিদের স্থল হামলা শুরু হতে পারে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে। যেগুলোতে যুদ্ধের প্রথম থেকেই অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মতে আমিরাত এখনই তাদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান এখন বুঝতে পেরেছে আমিরাত শুধুমাত্র মার্কিন সেনাদের ঘাঁটি দিয়েই বসে নেই। তারা এরচেয়েও বেশি সাহায্য করছে। এ কারণে ইরান সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাতের প্রতি আর সহনশীল তারা থাকবে না।

তিনি বলেছেন, “ইরানের গোয়েন্দারা বিশ্বাস করে আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করতে নিজেদের কিছু আকাশ শক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে।এই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ওমানে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে ইরানের ওপর দায় চাপিয়েছে।

অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী তারা জানতে পেরেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলা অত্যাসন্ন। অর্থাৎ যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। আর এ হামলা চালানো হবে আমিরাত থেকে। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে বাহরাইন ও আমিরাত থেকে হামলা হলেও; তারা এতদিন দেশগুলোর নিজস্ব অবকাঠামোতে হামলা চালাননি। এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন। কিন্তু এখন আমিরাত থেকে যদি স্থল হামলা হয় তাহলে দেশটিকে সরাসরিশত্রুহিসেবে বিবেচনা করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তখন হামলা শুধুমাত্র সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। হামলা হবে সরকারের মালিকানাধীন বেসামরিক স্থাপনাতেও। আর এ ব্যাপারে আমিরাতকে ইতিমধ্যে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: মিডেল ইস্ট আই

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

যুক্তরাষ্ট্র স্থল হামলা চালালে আমিরাতকে তছনছ করা হবে: ইরানি কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০১:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এখন যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল হামলা চালায় তাহলে আমিরাতকে তছনছ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাদের বিশ্বাস, এই স্থল হামলা হবে আমিরাত থেকে। এ কারণে আমিরাতকেই তারা সরাসরি শত্রু হিসেবে বিবেচনা করে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালাবেন। সংবাদমাধ্যম মিডেল ইস্ট আইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা এমন হুমকি দিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর যৌথ হামলার পর যুদ্ধ এক মাসের বেশি সময় পার হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। এখন এই প্রণালি খোলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল হামলার পরিকল্পনা করছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মার্কিনিদের স্থল হামলার টার্গেট হবে খার্গ দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে রপ্তানি করে।

আর মার্কিনিদের স্থল হামলা শুরু হতে পারে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো থেকে। যেগুলোতে যুদ্ধের প্রথম থেকেই অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মতে আমিরাত এখনই তাদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এক কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান এখন বুঝতে পেরেছে আমিরাত শুধুমাত্র মার্কিন সেনাদের ঘাঁটি দিয়েই বসে নেই। তারা এরচেয়েও বেশি সাহায্য করছে। এ কারণে ইরান সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাতের প্রতি আর সহনশীল তারা থাকবে না।

তিনি বলেছেন, “ইরানের গোয়েন্দারা বিশ্বাস করে আমিরাত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করতে নিজেদের কিছু আকাশ শক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে দিয়েছে।এই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ওমানে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে ইরানের ওপর দায় চাপিয়েছে।

অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্য ও রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী তারা জানতে পেরেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলা অত্যাসন্ন। অর্থাৎ যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। আর এ হামলা চালানো হবে আমিরাত থেকে। তিনি বলেছেন, বিশেষ করে বাহরাইন ও আমিরাত থেকে হামলা হলেও; তারা এতদিন দেশগুলোর নিজস্ব অবকাঠামোতে হামলা চালাননি। এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন। কিন্তু এখন আমিরাত থেকে যদি স্থল হামলা হয় তাহলে দেশটিকে সরাসরিশত্রুহিসেবে বিবেচনা করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তখন হামলা শুধুমাত্র সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। হামলা হবে সরকারের মালিকানাধীন বেসামরিক স্থাপনাতেও। আর এ ব্যাপারে আমিরাতকে ইতিমধ্যে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র: মিডেল ইস্ট আই