ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

নুর আশঙ্কাজনক, বাঁচবে কি মরবে জানি না : রাশেদ খাঁন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮৭২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষে তিনি আহত হন। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন সাংবাদিকদের জানান, নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাশেদ খাঁন বলেন, “হামলায় নুরুল হক নুরের নাক ফেটে গেছে, চোখের অবস্থা খুবই খারাপ। তার হাত ভেঙে গেছে। তিনি এখন মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। বাঁচবেন কি না, সেটা বলা যাচ্ছে না।”

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন এবং তাদের শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন।

ঘটনার সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাপার নেতাকর্মীদের সরে যেতে বাধ্য করে। পাশাপাশি গণ অধিকার পরিষদের নেতাদেরও ১০ মিনিটের মধ্যে স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেয়। তবে নির্দেশ অমান্য করলে ব্যাপক লাঠিচার্জ হয়। এতে নুরসহ আরও অনেকেই আহত হন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রান্না না করে নাচের ক্লাসে যাওয়া নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রীকে পিটিয়ে মারলেন স্বামী

নুর আশঙ্কাজনক, বাঁচবে কি মরবে জানি না : রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ১১:৩১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় দফা সংঘর্ষে তিনি আহত হন। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন সাংবাদিকদের জানান, নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাশেদ খাঁন বলেন, “হামলায় নুরুল হক নুরের নাক ফেটে গেছে, চোখের অবস্থা খুবই খারাপ। তার হাত ভেঙে গেছে। তিনি এখন মুমূর্ষু অবস্থায় আছেন। বাঁচবেন কি না, সেটা বলা যাচ্ছে না।”

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন এবং তাদের শতাধিক নেতাকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন।

ঘটনার সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে জাপার নেতাকর্মীদের সরে যেতে বাধ্য করে। পাশাপাশি গণ অধিকার পরিষদের নেতাদেরও ১০ মিনিটের মধ্যে স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেয়। তবে নির্দেশ অমান্য করলে ব্যাপক লাঠিচার্জ হয়। এতে নুরসহ আরও অনেকেই আহত হন।