ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রংপুর জেলা স্টেডিয়াম শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই ও সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি: ববি হাজ্জাজ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির পর সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ইরানের নারীরাও রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ‍্যামিলি কার্ড পাবে, কেউ বাদ যাবে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে ঙের প্রলেপ দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি মার্কিন ও ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধের’ বিচার নিশ্চিত করবে ইরান নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, জামায়াত এমপির মেয়ের জামাই গ্রেফতার ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ চট্টগ্রামের মানুষ সবার আগে জান্নাতে যাবে, এরপর অন্য জেলার মানুষ: মাওলানা আতাউল বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ‘গালাগালসহ আপত্তিকর পোস্ট’, আ.লীগের মিছিলের মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার

ফেনীতে ১৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় মুহুরী–কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প আগামী ১ অক্টোবর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সফরটি এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল। পরে তা স্থগিত করে বুধবার (১ অক্টোবর) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় নদী ও জলাধার পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কার করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি দেখতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফেনী পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট, মুহুরী নদীর তীরবর্তী এলাকা ও প্রস্তাবিত জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন। পরে সেখানে জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যাবেন এবং খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণসহ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এছাড়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোতে স্থাপিত মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেলেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিশ্রাম ও নামাজ আদায় করবেন। বেলা ৩টা থেকে ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। তিনটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা, কৃষক কার্ড এবং দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সেই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানস্থলগুলোকে তিনটি জোন—রেড, ইয়োলো ও হোয়াইটে ভাগ করা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দুই হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসএসএফের পাশাপাশি পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তাব্যবস্থায় নিয়োজিত থাকবেন। তবে মোট কতজন সদস্য মোতায়েন করা হবে, তা জানাতে পারেননি তিনি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, রেড জোনে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের বিশেষ নিরাপত্তা কার্ড দেওয়া হবে। ইয়েলো জোনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কার্ডধারীরাই কেবল সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন। রেড ও ইয়েলো জোনের বাইরের এলাকাকে হোয়াইট জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হবে। সেখানে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে পরশুরাম যাবেন। তবে তার ফেরার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে জনসভাস্থল তৈরির প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া পরশুরাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রস্তুতিও চলছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ, উদ্বোধনী ফলকের স্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

জনসভায় অংশ নেওয়া মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানস্থলে পানির ট্যাংক ও পোর্টেবল টয়লেট স্থাপন এবং অন্যান্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজও চলছে। সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে ফেনী–পরশুরাম প্রধান সড়কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে মেরামত ও সংস্কারকাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এছাড়া পরশুরাম–সুবার বাজার সড়কের জনসভাস্থলের আশপাশেও প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হচ্ছে। ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সরকার বন্যা ও নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান, ফেনীতে মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, লালপুলে আন্ডারপাস নির্মাণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং জেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর জেলা স্টেডিয়াম শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

ফেনীতে ১৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় মুহুরী–কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প আগামী ১ অক্টোবর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সফরটি এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল। পরে তা স্থগিত করে বুধবার (১ অক্টোবর) নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় নদী ও জলাধার পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কার করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি দেখতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফেনী পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় তিনি পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট, মুহুরী নদীর তীরবর্তী এলাকা ও প্রস্তাবিত জনসভাস্থল পরিদর্শন করেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন। পরে সেখানে জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজীতে যাবেন এবং খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণসহ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

এছাড়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোতে স্থাপিত মোট ৯৬২ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌর প্যানেলেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিশ্রাম ও নামাজ আদায় করবেন। বেলা ৩টা থেকে ৩টা ২০ মিনিটের মধ্যে ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে একটি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। তিনটি মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা, কৃষক কার্ড এবং দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের জন্য সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। সেই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানস্থলগুলোকে তিনটি জোন—রেড, ইয়োলো ও হোয়াইটে ভাগ করা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় দুই হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের আগে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সভায় এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসএসএফের পাশাপাশি পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তাব্যবস্থায় নিয়োজিত থাকবেন। তবে মোট কতজন সদস্য মোতায়েন করা হবে, তা জানাতে পারেননি তিনি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম বলেন, রেড জোনে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের বিশেষ নিরাপত্তা কার্ড দেওয়া হবে। ইয়েলো জোনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কার্ডধারীরাই কেবল সেখানে প্রবেশ করতে পারবেন। রেড ও ইয়েলো জোনের বাইরের এলাকাকে হোয়াইট জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হবে। সেখানে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারবেন। সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে পরশুরাম যাবেন। তবে তার ফেরার বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে জনসভাস্থল তৈরির প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া পরশুরাম পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড নির্মাণের প্রস্তুতিও চলছে। অনুষ্ঠানস্থলে মঞ্চ, উদ্বোধনী ফলকের স্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

জনসভায় অংশ নেওয়া মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানস্থলে পানির ট্যাংক ও পোর্টেবল টয়লেট স্থাপন এবং অন্যান্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিমূলক কাজও চলছে। সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে ফেনী–পরশুরাম প্রধান সড়কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে মেরামত ও সংস্কারকাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এছাড়া পরশুরাম–সুবার বাজার সড়কের জনসভাস্থলের আশপাশেও প্রয়োজনীয় মেরামত ও প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হচ্ছে। ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চলছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, সরকার বন্যা ও নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান, ফেনীতে মেডিকেল কলেজ ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, লালপুলে আন্ডারপাস নির্মাণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং জেলার যোগাযোগ ও অবকাঠামোর উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।