ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ নজরুলকে খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তুলনা করলেন ফজলুর রহমান রংপুর জেলা স্টেডিয়াম শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই ও সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি: ববি হাজ্জাজ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির পর সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ইরানের নারীরাও রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ‍্যামিলি কার্ড পাবে, কেউ বাদ যাবে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে ঙের প্রলেপ দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি মার্কিন ও ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধের’ বিচার নিশ্চিত করবে ইরান নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, জামায়াত এমপির মেয়ের জামাই গ্রেফতার ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ চট্টগ্রামের মানুষ সবার আগে জান্নাতে যাবে, এরপর অন্য জেলার মানুষ: মাওলানা আতাউল

ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে ঙের প্রলেপ দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ইয়াবা নিয়ে সামনে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মাত্র এক টাকার একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, বাজার থেকে কিনে তাতে লাল বা গোলাপি রঙের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া ইয়াবা। এতে অজানা ওষুধ সেবনে মাদকাসক্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। জানা গেছে, রাজশাহীর আইডি বাগানপাড়া রেললাইন এলাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচা হয়। মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ে। এ ছাড়া নগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তা, বুধপাড়া, কোট ঢালান, গুড়িপাড়া, রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকা, হরিপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় কৌশলে ইয়াবা এবং ইয়াবার আদলে ওষুধ বিক্রির চক্র গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, এসব স্থানে চক্রগুলো প্রকৃত মাদকের পাশাপাশি ইয়াবার আদলে তৈরি রং করা মায়াবড়ি ও ডুরালাক্স ট্যাবলেট বিক্রি করছে। বিশেষ করে কম দামে মাদক পাওয়ার আশায়, অনেক তরুণ মাদকসেবী সেখানে ছুটে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ইয়াবার আদলে এসব রং করা ট্যাবলেট মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করা হয়। ট্যাবলেটের গায়ে লাল বা গোলাপি রঙের মার্কার বা সাইনপেনের কালি লাগিয়ে ইয়াবার রুপ দেওয়া হয়। পরে প্রকৃত ইয়াবা বলে মাদকসেবীদের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের এসব ওষুধ বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিছুক এক মাদকসেবী জানান, ঘন ঘন অভিযানের ফলে অনেকে ইয়াবা বিক্রি করছে না। একজনের কাছ থেকে দুই পিস ‘মাল’ (ইয়াবা) নিয়েছিলেন ২৮০ টাকা পিস হিসেবে। পরে খাওয়ার সময় দেখেন, সেগুলো ওষুধ। কারণ, ওই ওষুধ খাওয়ার পর তার পায়খানার বেগ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আরেকজনের জানান, এটা ইয়াবার মতো রূপ দেওয়া হয়। কিন্তু এটা মায়া বড়ি রং করে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (উপ–পুলিশ কমিশনার) গাজিউর রহমান জানান, শুধু ইয়াবা নয়, সব ধরনের মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে মহানগর পুলিশ মাদক বিক্রির আস্তানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং সেসব জায়গা থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মায়া বড়ি ও ডুরালাক্স ইয়াবার আদলে বিক্রি করার বিষয়ে তিনি জানেন না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ নজরুলকে খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তুলনা করলেন ফজলুর রহমান

ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে ঙের প্রলেপ দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি

আপডেট সময় ১১:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এবার ইয়াবা নিয়ে সামনে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। মাত্র এক টাকার একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, বাজার থেকে কিনে তাতে লাল বা গোলাপি রঙের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া ইয়াবা। এতে অজানা ওষুধ সেবনে মাদকাসক্তদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। জানা গেছে, রাজশাহীর আইডি বাগানপাড়া রেললাইন এলাকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ওই এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচা হয়। মাদকসেবীদের আনাগোনাও চোখে পড়ে। এ ছাড়া নগরীর চন্দ্রিমা থানার বারো রাস্তা, বুধপাড়া, কোট ঢালান, গুড়িপাড়া, রাজশাহী নিউমার্কেট এলাকা, হরিপুরসহ বিভিন্ন জায়গায় কৌশলে ইয়াবা এবং ইয়াবার আদলে ওষুধ বিক্রির চক্র গড়ে উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, এসব স্থানে চক্রগুলো প্রকৃত মাদকের পাশাপাশি ইয়াবার আদলে তৈরি রং করা মায়াবড়ি ও ডুরালাক্স ট্যাবলেট বিক্রি করছে। বিশেষ করে কম দামে মাদক পাওয়ার আশায়, অনেক তরুণ মাদকসেবী সেখানে ছুটে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ইয়াবার আদলে এসব রং করা ট্যাবলেট মাদকসেবীদের কাছে বিক্রি করা হয়। ট্যাবলেটের গায়ে লাল বা গোলাপি রঙের মার্কার বা সাইনপেনের কালি লাগিয়ে ইয়াবার রুপ দেওয়া হয়। পরে প্রকৃত ইয়াবা বলে মাদকসেবীদের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ ও কোষ্ঠকাঠিন্যের এসব ওষুধ বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিছুক এক মাদকসেবী জানান, ঘন ঘন অভিযানের ফলে অনেকে ইয়াবা বিক্রি করছে না। একজনের কাছ থেকে দুই পিস ‘মাল’ (ইয়াবা) নিয়েছিলেন ২৮০ টাকা পিস হিসেবে। পরে খাওয়ার সময় দেখেন, সেগুলো ওষুধ। কারণ, ওই ওষুধ খাওয়ার পর তার পায়খানার বেগ অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আরেকজনের জানান, এটা ইয়াবার মতো রূপ দেওয়া হয়। কিন্তু এটা মায়া বড়ি রং করে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (উপ–পুলিশ কমিশনার) গাজিউর রহমান জানান, শুধু ইয়াবা নয়, সব ধরনের মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে মহানগর পুলিশ মাদক বিক্রির আস্তানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং সেসব জায়গা থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মায়া বড়ি ও ডুরালাক্স ইয়াবার আদলে বিক্রি করার বিষয়ে তিনি জানেন না।