ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! অবরুদ্ধ হরমুজ: ট্রাম্পের অবরোধ ভাঙতে নামবে চীনের ভয়ঙ্কর নৌবহর? মার্কিন হুমকি তোয়াক্কা না করে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপার ট্যাংকার ২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না: শিক্ষামন্ত্রী ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: পেজেশকিয়ান তেহরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো সমাধানই মস্কো মেনে নেবে: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান থেকে তেল নিতে পারবে না চীন: যুক্তরাষ্ট্র আমাকে নতি স্বীকার করাতে বুশরা বিবিকে ‘অমানুষিক’ নির্যাতন করা হচ্ছে: ইমরান খান আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়: শিক্ষামন্ত্রী

উপদেষ্টার পোস্টে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর হুমকি দেখছেন জুলকারনাইন সায়ের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • ৫০০ বার পড়া হয়েছে

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। সোমবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন, “এই বক্তব্য শুধু সাংবাদিকতা সম্পর্কে অজ্ঞতাই নয়, বরং একটি বিপজ্জনক কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার প্রকাশ।”

সায়েরের মতে, আসিফ মাহমুদের ভাষা “হুমকিসূচক, সন্দেহপ্রবণ এবং গভীরভাবে গণতন্ত্রবিরোধী”। তিনি লিখেছেন, “সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়াকে যদি সন্ত্রাস বা গুপ্তচরবৃত্তির সমতুল্য বলা হয়, তাহলে হয় উনি গণতন্ত্রের ন্যূনতম মূল্যবোধ বোঝেন না, নতুবা তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সাংবাদিকতা ও তথ্য প্রকাশকে অপরাধে পরিণত করতে চাইছেন।”

জুলকারনাইন আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে হুইসেলব্লোয়ার ও অভ্যন্তরীণ উৎসগুলো বহুবার সাংবাদিকদের কাছে তথ্য ফাঁস করে ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ উন্মোচন ঘটিয়েছে—যেমন পেন্টাগন পেপারস, পানামা পেপারস বা উইকিলিকস। বাংলাদেশেও বহু মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠান।

তার ভাষায়, “এই মানুষগুলোকে যদি জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি বা সন্ত্রাসী বলা হয়, তাহলে সেটা হবে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের একটি ঘৃণ্য কৌশল, যার উদ্দেশ্য ভিন্নমত ও সত্য প্রকাশ দমন করা।”

সায়ের আক্ষেপ করে বলেন, মন্ত্রী পদমর্যাদার একজন ব্যক্তি যখন বলেন, “বিমানবন্দরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি”—তখন প্রশ্ন ওঠে, প্রকৃত হুমকি কি তথ্য ফাঁস নাকি ব্যবস্থার দুর্বলতা?

এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এলো, যখন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে একটি গুলির ম্যাগাজিনসহ বিমানবন্দরে ঘটনার পর তার অবস্থান ও ভাষা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ!

উপদেষ্টার পোস্টে সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর হুমকি দেখছেন জুলকারনাইন সায়ের

আপডেট সময় ০৯:০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস সংক্রান্ত সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্টকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন বিশিষ্ট অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। সোমবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন, “এই বক্তব্য শুধু সাংবাদিকতা সম্পর্কে অজ্ঞতাই নয়, বরং একটি বিপজ্জনক কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার প্রকাশ।”

সায়েরের মতে, আসিফ মাহমুদের ভাষা “হুমকিসূচক, সন্দেহপ্রবণ এবং গভীরভাবে গণতন্ত্রবিরোধী”। তিনি লিখেছেন, “সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়াকে যদি সন্ত্রাস বা গুপ্তচরবৃত্তির সমতুল্য বলা হয়, তাহলে হয় উনি গণতন্ত্রের ন্যূনতম মূল্যবোধ বোঝেন না, নতুবা তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সাংবাদিকতা ও তথ্য প্রকাশকে অপরাধে পরিণত করতে চাইছেন।”

জুলকারনাইন আরও উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে হুইসেলব্লোয়ার ও অভ্যন্তরীণ উৎসগুলো বহুবার সাংবাদিকদের কাছে তথ্য ফাঁস করে ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ উন্মোচন ঘটিয়েছে—যেমন পেন্টাগন পেপারস, পানামা পেপারস বা উইকিলিকস। বাংলাদেশেও বহু মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠান।

তার ভাষায়, “এই মানুষগুলোকে যদি জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি বা সন্ত্রাসী বলা হয়, তাহলে সেটা হবে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের একটি ঘৃণ্য কৌশল, যার উদ্দেশ্য ভিন্নমত ও সত্য প্রকাশ দমন করা।”

সায়ের আক্ষেপ করে বলেন, মন্ত্রী পদমর্যাদার একজন ব্যক্তি যখন বলেন, “বিমানবন্দরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ফাঁস হওয়া জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি”—তখন প্রশ্ন ওঠে, প্রকৃত হুমকি কি তথ্য ফাঁস নাকি ব্যবস্থার দুর্বলতা?

এই মন্তব্যটি এমন এক সময়ে এলো, যখন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে একটি গুলির ম্যাগাজিনসহ বিমানবন্দরে ঘটনার পর তার অবস্থান ও ভাষা নিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।