ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৮ মিলিয়ন ডলার জরিমানার মুখে টেলিগ্রাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৮১৯ বার পড়া হয়েছে

সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্ট অপসারণে ব্যর্থতার অভিযোগে বার্তা আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা আইনের আওতায় টেলিগ্রামকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৪৬ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের সমান, জরিমানা গুনতে হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্রান্ট জানান, অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট অনুযায়ী টেলিগ্রাম তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে কি না, তা জানতে এক বছর ধরে তদন্ত চালানো হয়। সেই তদন্তের পরই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিযোগ, ব্যবহারকারীদের অভিযোগ পাওয়ার পরও টেলিগ্রাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মৃত্যুদণ্ডের ভিডিও এবং গণগুলির হামলার ফুটেজ সরাতে দীর্ঘ সময় নিয়েছে। পাশাপাশি এসব কনটেন্ট ছড়ানো অ্যাকাউন্ট, চ্যানেল ও গ্রুপ বন্ধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।

ই-সেফটি কমিশনের দাবি, ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিও এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলোতে গণগুলির হামলার ভিডিওসহ কিছু পরিচিত সন্ত্রাসী কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেনি টেলিগ্রাম। এসব কনটেন্ট প্রায় তিন মাস পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মে ছিল বলেও অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এদিকে, টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাভেল দুরভকে নিয়ে রাশিয়ার অভিযোগের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্ল্যাটফর্মটির কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার এই আইনি পদক্ষেপ বড় চাপ তৈরি করেছে টেলিগ্রামের ওপর।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৮ মিলিয়ন ডলার জরিমানার মুখে টেলিগ্রাম

আপডেট সময় ০৩:০২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত কনটেন্ট অপসারণে ব্যর্থতার অভিযোগে বার্তা আদান-প্রদানের প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাইবার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন নিরাপত্তা আইনের আওতায় টেলিগ্রামকে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৪৬ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার, যা প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের সমান, জরিমানা গুনতে হতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার জুলি ইনম্যান গ্রান্ট জানান, অনলাইন সেফটি অ্যাক্ট অনুযায়ী টেলিগ্রাম তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছে কি না, তা জানতে এক বছর ধরে তদন্ত চালানো হয়। সেই তদন্তের পরই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অভিযোগ, ব্যবহারকারীদের অভিযোগ পাওয়ার পরও টেলিগ্রাম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মৃত্যুদণ্ডের ভিডিও এবং গণগুলির হামলার ফুটেজ সরাতে দীর্ঘ সময় নিয়েছে। পাশাপাশি এসব কনটেন্ট ছড়ানো অ্যাকাউন্ট, চ্যানেল ও গ্রুপ বন্ধ করতেও ব্যর্থ হয়েছে প্ল্যাটফর্মটি।

ই-সেফটি কমিশনের দাবি, ক্রাইস্টচার্চ মসজিদ হামলার সরাসরি সম্প্রচারিত ভিডিও এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাফেলোতে গণগুলির হামলার ভিডিওসহ কিছু পরিচিত সন্ত্রাসী কনটেন্ট শনাক্ত করতে পারেনি টেলিগ্রাম। এসব কনটেন্ট প্রায় তিন মাস পর্যন্ত প্ল্যাটফর্মে ছিল বলেও অভিযোগ করেছে সংস্থাটি।

এদিকে, টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পাভেল দুরভকে নিয়ে রাশিয়ার অভিযোগের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্ল্যাটফর্মটির কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার এই আইনি পদক্ষেপ বড় চাপ তৈরি করেছে টেলিগ্রামের ওপর।