ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রাস্তা নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি, এগুলো কমাতে হবে: সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৭৬ বার পড়া হয়েছে

এবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রাস্তা নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি, এগুলো কমাতে হবে। রাস্তাঘাট দুর্নীতির একটা বড় ক্ষেত্র। এই দুর্নীতি কমালে এবং দেশের প্রকৌশলীরা যদি দেখেন, তাহলে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ব্যয় কমানো সম্ভব। সড়কের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। অন্যান্য যেসব যাতায়াতের মাধ্যম আছে—রেলপথ, নদীপথ এবং বিমান—এসবের ব্যবহার বাড়াতে হবে।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় ১৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা শহরে এ ধরনের বাইপাস করতে হবে, যাতে বড় শহরকে যানজট থেকে মুক্ত করতে পারি। সড়ক নির্মাণের ব্যয় কমাতে হবে এবং প্রযুক্তিও পরিবর্তন করতে হবে, যাতে বছর বছর রাস্তা খারাপ না হয়ে যায়। এখানে চীনের ঠিকাদার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য যে যাতায়াতের মাধ্যম আছে যেমন—নদীপথে যাতায়াত, রেলওয়ে যাতায়াত ও বিমানে যাতায়াত—এগুলোকে অবহেলা করেছি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে এখন উদ্যোগ নিয়েছি। মাল্টি-লেভেল প্ল্যান আমরা করছি। এই প্ল্যানের মধ্যে আমরা সবকিছু একত্রে দেখব—সড়কপথ, রেলপথ ও নদীপথ। যেখানে যেটা উপযুক্ত, সেখানে সেটার উপর জোর দেব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন। এছাড়াও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রাস্তা নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি, এগুলো কমাতে হবে: সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

এবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আশেপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রাস্তা নির্মাণের ব্যয় অনেক বেশি, এগুলো কমাতে হবে। রাস্তাঘাট দুর্নীতির একটা বড় ক্ষেত্র। এই দুর্নীতি কমালে এবং দেশের প্রকৌশলীরা যদি দেখেন, তাহলে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের ব্যয় কমানো সম্ভব। সড়কের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। অন্যান্য যেসব যাতায়াতের মাধ্যম আছে—রেলপথ, নদীপথ এবং বিমান—এসবের ব্যবহার বাড়াতে হবে।

আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া এলাকায় ১৮ কিলোমিটার ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা শহরে এ ধরনের বাইপাস করতে হবে, যাতে বড় শহরকে যানজট থেকে মুক্ত করতে পারি। সড়ক নির্মাণের ব্যয় কমাতে হবে এবং প্রযুক্তিও পরিবর্তন করতে হবে, যাতে বছর বছর রাস্তা খারাপ না হয়ে যায়। এখানে চীনের ঠিকাদার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য যে যাতায়াতের মাধ্যম আছে যেমন—নদীপথে যাতায়াত, রেলওয়ে যাতায়াত ও বিমানে যাতায়াত—এগুলোকে অবহেলা করেছি। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে এখন উদ্যোগ নিয়েছি। মাল্টি-লেভেল প্ল্যান আমরা করছি। এই প্ল্যানের মধ্যে আমরা সবকিছু একত্রে দেখব—সড়কপথ, রেলপথ ও নদীপথ। যেখানে যেটা উপযুক্ত, সেখানে সেটার উপর জোর দেব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল করিম খান ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফীন। এছাড়াও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।