ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব, সুস্থ মা–শিশু 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তান প্রসবের জন্য মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেনেই সন্তান জন্ম দিয়েছেন রেশমা খাতুন (২৭)। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে যশোর রেলস্টেশনে পৌঁছার পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মা ও নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগে ভর্তি করার পর লেবার ওয়ার্ডে সিনিয়র স্টাফ নার্স শিরিনা আক্তার নবজাতকের নাড়ি কাটেন। গাইনি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রাবেয়া খাতুন পরবর্তী চিকিৎসা দেন এবং দুই ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মা ও নবজাতক সুস্থ আছেন। রেশমা খাতুন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামদানি গ্রামের রনির স্ত্রী এবং যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার শাহাবুদ্দিনের মেয়ে।

তিনি জানান, আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শুক্রবার সকালে মা মনোয়ারা খাতুনের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি থেকে ট্রেনে যশোরের পথে রওনা হন। ট্রেন দর্শনা স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে সন্তান প্রসব হয়। এরপর যশোর স্টেশনে পৌঁছে স্টেশন কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা মা–শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

বর্তমানে রেশমা খাতুন ও নবজাতক ছেলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে সন্তান প্রসব, সুস্থ মা–শিশু 

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শ্বশুরবাড়ি থেকে সন্তান প্রসবের জন্য মায়ের সঙ্গে বাবার বাড়িতে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেনেই সন্তান জন্ম দিয়েছেন রেশমা খাতুন (২৭)। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে যশোর রেলস্টেশনে পৌঁছার পর ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মা ও নবজাতককে হাসপাতালে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগে ভর্তি করার পর লেবার ওয়ার্ডে সিনিয়র স্টাফ নার্স শিরিনা আক্তার নবজাতকের নাড়ি কাটেন। গাইনি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রাবেয়া খাতুন পরবর্তী চিকিৎসা দেন এবং দুই ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মা ও নবজাতক সুস্থ আছেন। রেশমা খাতুন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জামদানি গ্রামের রনির স্ত্রী এবং যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার শাহাবুদ্দিনের মেয়ে।

তিনি জানান, আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শুক্রবার সকালে মা মনোয়ারা খাতুনের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি থেকে ট্রেনে যশোরের পথে রওনা হন। ট্রেন দর্শনা স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে সন্তান প্রসব হয়। এরপর যশোর স্টেশনে পৌঁছে স্টেশন কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা মা–শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

বর্তমানে রেশমা খাতুন ও নবজাতক ছেলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।