ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো দক্ষিণ এশিয়ার ৩ দেশ একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছি, লাশ নিয়ে যান তুরাগে কার লাশ’ পোস্ট করে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ গোলাম মাওলা রনির বিরুদ্ধে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে ঘিরে ছাত্রদলে বিভক্তি বগুড়ায় বেশি বরাদ্দ অস্বীকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের টেকনাফ সীমান্তে কালেমা লেখা সাদা পতাকা টাঙানো নিয়ে আলোচনা, খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন ‘হাদি হত্যার বিচার’ চেয়ে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে চিঠি সব রেকর্ড ভাঙল পাগলা মসজিদের দান, মিলল প্রায় ১৬ কোটি টাকা ২০ বছরের সংসার জীবনের ইতি টানলেন জনপ্রিয় চিকিৎসক দম্পতি সুষমা-কুশল

বগুড়ায় বেশি বরাদ্দ অস্বীকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ায় বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, সব চেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কুমিল্লায় এবং বগুড়া রয়েছে ১৬ নম্বরে।

 

শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমি ছোট্ট একটি কথার পরিপ্রেক্ষিতে কথা বলবো, বিরোধী দলের এনসিবির এমপি কুড়িগ্রাম থেকে নির্বাচিত আতিকুর রহমান মুজাহিদ একটি অসত্য তথ্য সংসদে তুলে ধরেছেন। তার জবাব দেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সেটি হল উনি বলেছেন একসময় বলা হতো সবার আগে গোপালগঞ্জ এখন কী সবার আগে বগুড়া? আমি তথ্য দিচ্ছি, এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়া যায়নি। তার আগে আমি এইটুকু বলতে চাই, বিগত ২০ বছর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বগুড়া হওয়ার কারণে সংসদ নেতা তারেক রহমানের বাড়ি বগুড়া হবার কারণে বগুড়ার কোনও উন্নয়ন হয়নি। ৬৩টি জেলায় বিনা ভোটে স্বৈারাচার সরকারের মন্ত্রী ছিল এমপি ছিল, তাদের ওখানে কম বেশি উন্নয়ন হোক আর দুর্নীতি হোক যেটাই হোক হয়েছে, কিন্তু বগুড়ার কোনও উন্নয়ন হয়নি।

 

তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রী একসময় বগুড়ার খোঁজ রাখতেন, উনি এখন সারা দেশের প্রধানমন্ত্রী। এখন বগুড়ার বিষয়ে কথা বলতে হবে আমিসহ আমরা বগুড়ার যে সাত এমপি রয়েছি, তাদের কথা বলতে হবে। আমি আজ এই সংসদে সব মন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ করবো, আমাদের বগুড়ার আমরা বেশি বরাদ্দ চাই না। ২০ বছরে যে ঘাটতি রয়েছে অন্য ৬৩ জেলার সঙ্গে পূরণ করবার জন্য এই ঘাটতিটুকু আপনারা পূরণ করে দেন তাহলেই আমাদের কোনও আর কথা থাকবে না।

 

মীর শাহে বালম বলেন, আতিকুর রহমান মুজাহিদ এমপি সাহেব উনি যে তথ্য দিয়েছেন এই তথ্যতে আমার মন্ত্রী মির্জা ফকরুল ইসলাম সাহেব সাহেবও এখানে মর্মাহত হয়েছেন, উনি যে তথ্য দিয়েছেন যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়া গিয়েছে। আমি ছোট্ট একটু তথ্য দেই, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত এলজিডি থেকে সর্বোচ্চ বরাদ্দ গিয়েছে কুমিল্লা জেলায় ৩৯০ কোটি টাকা। এরপরে সিরিয়ালে রয়েছে নরসিংদী ২৬৩ কোটি টাকা। এরপরে সিরিয়ালে রয়েছে জামায়াত অধ্যুষিত বাগেরহাট ২২৫ কোটি টাকা। এরপরে সাত নম্বরে রয়েছে গোপালগঞ্জ ১৭৩ কোটি টাকা। নয় নম্বরে যে এমপি অভিযোগ করেছেন তার জেলা কুড়িগ্রাম রয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা। বগুড়র সিরিয়াল ১৬ নম্বরে ১৪১ কোটি টাকা। জামায়াত অধ্যুষিত ১৭ নম্বরে ১৩৯ কোটি টাকা। আমার মন্ত্রীর জেলা ঠাকুরগা রয়েছে ১৭ নম্বরে। নম্বরটা একটু বলেন ৬৫টা আছে। সময় কম আমি তো বলতেই পারবো না, এরপরে জনস্বাস্থ্য সবার ওপরে আছে কক্সবাজার। বগুড়া আছে ১৬ নম্বরে, মন্ত্রীরটা আছে ১৭ নম্বরে। কুমিল্লা আপনার স্থানীয় সরকার উপজেলা পর্যায়ে কুমিল্লা আছে এক নম্বরে ১৩২ কোটি টাকা চট্টগ্রাম আছে ময়মনসিংহ তিন, সিলেট চার দিনাজপুর পাঁচ, আমার মন্ত্রীর জেলায় রয়েছে ৩৮ নম্বরে।

 

অতএব এই মন্ত্রণালয় থেকে কোনও অনিয়ম-বৈষম্য হয় না। আমি সবশেষে যেটি বলবো, যে সংসদ সদস্য অভিযোগ করেছেন আপনি বড়ই ভাগ্যবান, এই তিন মাসে আপনার নির্বাচনি এলাকায় এলজিডি ইউনিয়ন পরিষদ উপজেলা থেকে তথ্য আছে বরাদ্দ হয়েছে।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ‘ভয়ংকর অস্ত্রের’ অনুকরণ করছে পুরো বিশ্ব

বগুড়ায় বেশি বরাদ্দ অস্বীকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের

আপডেট সময় ১০:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বগুড়ায় বরাদ্দ বেশি দেওয়া হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, সব চেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কুমিল্লায় এবং বগুড়া রয়েছে ১৬ নম্বরে।

 

শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আমি ছোট্ট একটি কথার পরিপ্রেক্ষিতে কথা বলবো, বিরোধী দলের এনসিবির এমপি কুড়িগ্রাম থেকে নির্বাচিত আতিকুর রহমান মুজাহিদ একটি অসত্য তথ্য সংসদে তুলে ধরেছেন। তার জবাব দেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সেটি হল উনি বলেছেন একসময় বলা হতো সবার আগে গোপালগঞ্জ এখন কী সবার আগে বগুড়া? আমি তথ্য দিচ্ছি, এই তিন মাসে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়া যায়নি। তার আগে আমি এইটুকু বলতে চাই, বিগত ২০ বছর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান বগুড়া হওয়ার কারণে সংসদ নেতা তারেক রহমানের বাড়ি বগুড়া হবার কারণে বগুড়ার কোনও উন্নয়ন হয়নি। ৬৩টি জেলায় বিনা ভোটে স্বৈারাচার সরকারের মন্ত্রী ছিল এমপি ছিল, তাদের ওখানে কম বেশি উন্নয়ন হোক আর দুর্নীতি হোক যেটাই হোক হয়েছে, কিন্তু বগুড়ার কোনও উন্নয়ন হয়নি।

 

তিনি বলেন, এখন প্রধানমন্ত্রী একসময় বগুড়ার খোঁজ রাখতেন, উনি এখন সারা দেশের প্রধানমন্ত্রী। এখন বগুড়ার বিষয়ে কথা বলতে হবে আমিসহ আমরা বগুড়ার যে সাত এমপি রয়েছি, তাদের কথা বলতে হবে। আমি আজ এই সংসদে সব মন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ করবো, আমাদের বগুড়ার আমরা বেশি বরাদ্দ চাই না। ২০ বছরে যে ঘাটতি রয়েছে অন্য ৬৩ জেলার সঙ্গে পূরণ করবার জন্য এই ঘাটতিটুকু আপনারা পূরণ করে দেন তাহলেই আমাদের কোনও আর কথা থাকবে না।

 

মীর শাহে বালম বলেন, আতিকুর রহমান মুজাহিদ এমপি সাহেব উনি যে তথ্য দিয়েছেন এই তথ্যতে আমার মন্ত্রী মির্জা ফকরুল ইসলাম সাহেব সাহেবও এখানে মর্মাহত হয়েছেন, উনি যে তথ্য দিয়েছেন যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ বগুড়া গিয়েছে। আমি ছোট্ট একটু তথ্য দেই, ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত এলজিডি থেকে সর্বোচ্চ বরাদ্দ গিয়েছে কুমিল্লা জেলায় ৩৯০ কোটি টাকা। এরপরে সিরিয়ালে রয়েছে নরসিংদী ২৬৩ কোটি টাকা। এরপরে সিরিয়ালে রয়েছে জামায়াত অধ্যুষিত বাগেরহাট ২২৫ কোটি টাকা। এরপরে সাত নম্বরে রয়েছে গোপালগঞ্জ ১৭৩ কোটি টাকা। নয় নম্বরে যে এমপি অভিযোগ করেছেন তার জেলা কুড়িগ্রাম রয়েছে ১৬৫ কোটি টাকা। বগুড়র সিরিয়াল ১৬ নম্বরে ১৪১ কোটি টাকা। জামায়াত অধ্যুষিত ১৭ নম্বরে ১৩৯ কোটি টাকা। আমার মন্ত্রীর জেলা ঠাকুরগা রয়েছে ১৭ নম্বরে। নম্বরটা একটু বলেন ৬৫টা আছে। সময় কম আমি তো বলতেই পারবো না, এরপরে জনস্বাস্থ্য সবার ওপরে আছে কক্সবাজার। বগুড়া আছে ১৬ নম্বরে, মন্ত্রীরটা আছে ১৭ নম্বরে। কুমিল্লা আপনার স্থানীয় সরকার উপজেলা পর্যায়ে কুমিল্লা আছে এক নম্বরে ১৩২ কোটি টাকা চট্টগ্রাম আছে ময়মনসিংহ তিন, সিলেট চার দিনাজপুর পাঁচ, আমার মন্ত্রীর জেলায় রয়েছে ৩৮ নম্বরে।

 

অতএব এই মন্ত্রণালয় থেকে কোনও অনিয়ম-বৈষম্য হয় না। আমি সবশেষে যেটি বলবো, যে সংসদ সদস্য অভিযোগ করেছেন আপনি বড়ই ভাগ্যবান, এই তিন মাসে আপনার নির্বাচনি এলাকায় এলজিডি ইউনিয়ন পরিষদ উপজেলা থেকে তথ্য আছে বরাদ্দ হয়েছে।