ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপির অহমিকা দেখে মনে হচ্ছে তারা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

এবার এনসিপি নেতাদের ঔদ্ধত্য-অহমিকা দেখে মনে হচ্ছে তাঁরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে আমরা এটা জোট করার জন্য, মন্ত্রী-তন্ত্রী হওয়ার জন্য তাদের পেছনে লাইন ধরব। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, গ্রামে একটা কথা বলে যে অল্প পানির মাছ হঠাৎ করে বেশি পানিতে পড়লে কী করবে মানে সে খুঁজে পায় না। কিংবা অল্প পয়সার মালিক হঠাৎ করে যদি পয়সা ওয়ালা হয়ে যায়, তাহলে সে যে ধনী হয়েছে সেটা দেখানোর জন্য বিড়াল-কুকুর নিয়ে রাস্তায়-রাস্তায় ঘোরে। তিনি বলেন, আমি দেখলাম যে আমাদের এনসিপির ছোট ভাইয়েরা, আবার কিছু আমাদের সহকর্মী বলা চলে আমাদের সমসাময়িক বন্ধু, তাদের ইন্টারভিউ কথাবার্তা গণমাধ্যমে শুনেছি। সেটাতে পরিষ্কার বোঝা যে এই অংশটা অর্থাৎ এনসিপির মধ্যে একটা অংশ তাদের নেতাগিরি বজায় রাখার জন্য কিংবা তাদের নেতাগিরি টিকিয়ে রাখতে তারা চায় না যে এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদ একীভূত হোক।

তিনি আরো বলেন, এখানে এনসিপির মূল নেতৃত্ব যদি আপনি ধরেন আক্তার ও নাহিদ দুইজনই কিন্তু ২০১৯ সালে আমার সাথে ছাত্র অধিকার পরিষদের নুরুল রাশেদ ফারুক প্যানেল থেকে আমাদের লিডারশীপ মেনে কিন্তু তারা নির্বাচন করেছে।

অসুস্থতা স্বত্বেও এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদের একীভূত হাওয়ার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, সেখানে শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ খুব আন্তরিকভাবে এটা উপলব্ধি করেছে যে এই গণঅভ্যুত্থানের পরে যদি তরুণরা রাজনীতিতে একটা অবস্থান নিতে না পারে, তাহলে পুরানো রাজনৈতিক কালচার আধিপত্য বিস্তার করবে। এটা হলে এই তরুণরা হারিয়ে যাবে কারণ তাঁরা এই অসুস্থ এবং অপরাজনীতির প্রতিযোগিতায় টিকতে থাকতে পারবে না। তাদের টাকা নাই, তাদের পেশি শক্তি নাই, নানান ভাবে তারা কোণঠাসা হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, তাহলে তো এনসিপি হারিয়ে যাবে, অনেকে দেশে থাকতে পারবে না। এটা বাস্তব, সেটি উপলব্ধি করে যদি তারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা বোধহয় আমাদের সবার জন্য ভালো হবে। দেশের জন্য ভালো হতে পারে। আমাদের গণ অধিকার পরিষদের দিক থেকে সবাই ইতিবাচক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এনসিপির অহমিকা দেখে মনে হচ্ছে তারা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নুর

আপডেট সময় ১০:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

এবার এনসিপি নেতাদের ঔদ্ধত্য-অহমিকা দেখে মনে হচ্ছে তাঁরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে আমরা এটা জোট করার জন্য, মন্ত্রী-তন্ত্রী হওয়ার জন্য তাদের পেছনে লাইন ধরব। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, গ্রামে একটা কথা বলে যে অল্প পানির মাছ হঠাৎ করে বেশি পানিতে পড়লে কী করবে মানে সে খুঁজে পায় না। কিংবা অল্প পয়সার মালিক হঠাৎ করে যদি পয়সা ওয়ালা হয়ে যায়, তাহলে সে যে ধনী হয়েছে সেটা দেখানোর জন্য বিড়াল-কুকুর নিয়ে রাস্তায়-রাস্তায় ঘোরে। তিনি বলেন, আমি দেখলাম যে আমাদের এনসিপির ছোট ভাইয়েরা, আবার কিছু আমাদের সহকর্মী বলা চলে আমাদের সমসাময়িক বন্ধু, তাদের ইন্টারভিউ কথাবার্তা গণমাধ্যমে শুনেছি। সেটাতে পরিষ্কার বোঝা যে এই অংশটা অর্থাৎ এনসিপির মধ্যে একটা অংশ তাদের নেতাগিরি বজায় রাখার জন্য কিংবা তাদের নেতাগিরি টিকিয়ে রাখতে তারা চায় না যে এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদ একীভূত হোক।

তিনি আরো বলেন, এখানে এনসিপির মূল নেতৃত্ব যদি আপনি ধরেন আক্তার ও নাহিদ দুইজনই কিন্তু ২০১৯ সালে আমার সাথে ছাত্র অধিকার পরিষদের নুরুল রাশেদ ফারুক প্যানেল থেকে আমাদের লিডারশীপ মেনে কিন্তু তারা নির্বাচন করেছে।

অসুস্থতা স্বত্বেও এনসিপি ও গণ অধিকার পরিষদের একীভূত হাওয়ার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, সেখানে শীর্ষ পর্যায়ের অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ খুব আন্তরিকভাবে এটা উপলব্ধি করেছে যে এই গণঅভ্যুত্থানের পরে যদি তরুণরা রাজনীতিতে একটা অবস্থান নিতে না পারে, তাহলে পুরানো রাজনৈতিক কালচার আধিপত্য বিস্তার করবে। এটা হলে এই তরুণরা হারিয়ে যাবে কারণ তাঁরা এই অসুস্থ এবং অপরাজনীতির প্রতিযোগিতায় টিকতে থাকতে পারবে না। তাদের টাকা নাই, তাদের পেশি শক্তি নাই, নানান ভাবে তারা কোণঠাসা হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, তাহলে তো এনসিপি হারিয়ে যাবে, অনেকে দেশে থাকতে পারবে না। এটা বাস্তব, সেটি উপলব্ধি করে যদি তারা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা বোধহয় আমাদের সবার জন্য ভালো হবে। দেশের জন্য ভালো হতে পারে। আমাদের গণ অধিকার পরিষদের দিক থেকে সবাই ইতিবাচক।