ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২১ তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ‘স্মৃতি শক্তি নেই’ দাবি আইনজীবীর ওসমান হাদি হত্যা : অধিকতর প্রতিবেদন ১৭ মে ঈদ উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা নরেন্দ্র মোদি বাংলায় বললেন, ‘পরিবর্তন হয়ে গেছে’ ভারতে কোন দল ক্ষমতায় আসলো এটা নিয়ে আমরা ভাবি না: গয়েশ্বর মাধবপুরে জঙ্গল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের লাশ উদ্ধার মেয়র নির্বাচিত হলে ‘আম কার্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বিএনপি নেতার পশ্চিমবঙ্গ থেকে পুশইন হলে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে ঢাকা শাপলা চত্বরে হেফাজতের ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা: চিফ প্রসিকিউটর

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ৬ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • ১৮৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আরিফুজ্জামান, গঙ্গাচড়ার আয়নাল হক, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার রবিউল আওয়াল ও ধামরাইয়ের গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।এর আগে এ ঘটনায় করা মামলার জেরে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর বটতলা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মে সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে অপহরণকারী দলের মূল হোতা আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়নাল হোসেন ও রবিউল ইসলাম রবিসহ বেশ কয়েকজনে মিলে অপহরণ করে। এরপর গাড়িযোগে সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে শিশুটি স্কুলের উদ্যেশ্যে বেরিয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেনি। তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ১৭ মে থানায় সাধারণ ডায়রি করে পরিবার। এর জেরে ২০ মে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ২০ মে রাতে আশুলিয়ার বটতলা এলাকা থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় সাধারণ ডায়রির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারজনকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২১

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ৬ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় ১১:৩৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

এবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আরিফুজ্জামান, গঙ্গাচড়ার আয়নাল হক, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার রবিউল আওয়াল ও ধামরাইয়ের গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।এর আগে এ ঘটনায় করা মামলার জেরে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর বটতলা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মে সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে অপহরণকারী দলের মূল হোতা আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়নাল হোসেন ও রবিউল ইসলাম রবিসহ বেশ কয়েকজনে মিলে অপহরণ করে। এরপর গাড়িযোগে সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে শিশুটি স্কুলের উদ্যেশ্যে বেরিয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেনি। তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ১৭ মে থানায় সাধারণ ডায়রি করে পরিবার। এর জেরে ২০ মে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ২০ মে রাতে আশুলিয়ার বটতলা এলাকা থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় সাধারণ ডায়রির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারজনকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।