ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান এক সময় আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত: মেঘনা আলম ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর ‘তারার কাছে পৌঁছানোর সাহস রাখো আর তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দাও’ খুঁটিতে বাঁধা সেই বাবার পাশে প্রশাসন, মেয়ে তুবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও কেন্দ্র থেকে বহিষ্কৃত দুই যুবদল নেতাকে সভাপতি ঘোষণা এমপির প্রার্থী জিয়ার সৈনিক না হলে পরীক্ষায় বসতে দিয়েন না: রাকসু জিএস আম্মার দিল্লির সড়কে তরুণকে চড় মন্ত্রীর, পাল্টা হাত তুললো তরুণও চকলেট দেয়ার কথা বলে অফিসের সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন নারী বস সংবিধানে ফিরছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ৬ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • ৫৯৭০ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আরিফুজ্জামান, গঙ্গাচড়ার আয়নাল হক, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার রবিউল আওয়াল ও ধামরাইয়ের গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।এর আগে এ ঘটনায় করা মামলার জেরে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর বটতলা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মে সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে অপহরণকারী দলের মূল হোতা আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়নাল হোসেন ও রবিউল ইসলাম রবিসহ বেশ কয়েকজনে মিলে অপহরণ করে। এরপর গাড়িযোগে সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে শিশুটি স্কুলের উদ্যেশ্যে বেরিয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেনি। তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ১৭ মে থানায় সাধারণ ডায়রি করে পরিবার। এর জেরে ২০ মে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ২০ মে রাতে আশুলিয়ার বটতলা এলাকা থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় সাধারণ ডায়রির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারজনকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান এক সময় আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত: মেঘনা আলম

চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ৬ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় ১১:৩৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

এবার ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।

এদিকে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আরিফুজ্জামান, গঙ্গাচড়ার আয়নাল হক, মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার রবিউল আওয়াল ও ধামরাইয়ের গাওয়াইল গ্রামের সোহানা আক্তার। তাঁরা সবাই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।এর আগে এ ঘটনায় করা মামলার জেরে মঙ্গলবার রাতে আশুলিয়ার নবীনগর বটতলা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৫ মে সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়ার পথিমধ্যে অপহরণকারী দলের মূল হোতা আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়নাল হোসেন ও রবিউল ইসলাম রবিসহ বেশ কয়েকজনে মিলে অপহরণ করে। এরপর গাড়িযোগে সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় একটি ভাড়া করা বাড়িতে নিয়ে যায়। তাকে ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে শিশুটি স্কুলের উদ্যেশ্যে বেরিয়ে গেলেও আর বাড়ি ফেরেনি। তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ১৭ মে থানায় সাধারণ ডায়রি করে পরিবার। এর জেরে ২০ মে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গত ২০ মে রাতে আশুলিয়ার বটতলা এলাকা থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় সাধারণ ডায়রির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চারজনকে গ্রেপ্তার ও ভুক্তভোগী শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।