ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত না ঘটাতে সব দলকে বসার আহ্বান সিইসির ‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’ মুসলিমপ্রধান দেশে ইসরায়েলের গোপন ঘাঁটি, তথ্য আড়াল রাখতে দুজনকে হত্যা দক্ষিণ কোরিয়ায় আসিফ মাহমুদকে নাগরিক সংবর্ধনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গ্রাফিতি মোছার নির্দেশ সিটি করপোরেশন দেয়নি: চসিক মেয়র ভারতে জনসংখ্যা বাড়াতে নগদ টাকা ও ছুটির ঘোষণা রাজ্য সরকারের এবার ভারতকে পরমাণু হামলার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিলো পাকিস্তান লন্ডন থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রামে জুলাই গ্রাফিতি মুছে ফেলা নিয়ে বিএনপি-এনসিপির মুখোমুখি অবস্থান

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ইউরোপে আশ্রয় চান পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

এবার দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার জেলখানায় গত ৯ মাস ধরে আটক আছেন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকার বনানী থানার সাবেক পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা। বাংলাদেশ থেকে পলাতক সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার স্বজন (চাচাতো ভাই) বলে দাবি করে আলবেনিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইছেন।

সোহেল রানার পৃষ্ঠপোষকতায় চলা ‘ই-অরেঞ্জ’-এর বিরুদ্ধে ১,১০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ঢাকায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। বস্তুত, হাসিনার আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই মামলার পর পরই ২০২১ সালে বাংলাদেশ ছাড়েন তিনি। দাবি করা হয়, ভারত হয়ে নেপালে পালানোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি ভারত থেকে পর্তুগাল হয়ে আলবেনিয়ায় পালিয়ে যান।

২০২২ সাল থেকেই তার খোঁজে ‘রেড নোটিস’ জারি করে ইন্টারপোল। শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি আলবেনিয়ায় গ্রেফতার হন তিনি। গত ৯ মাস ধরে ওই ইউরোপীয় দেশেই বন্দি রয়েছেন সোহেল। এখন সে দেশেই রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিজেকে ‘হাসিনার স্বজন’ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, সেই কারণেই তিনি বাংলাদেশ ছেড়েছেন। এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের পুলিশ সদর দফতরের মুখপাত্র এএইচএম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সোহেল রানা এখন আলবেনিয়ার কারাগারে আছেন। তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে আলবেনিয়ার পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের সেসব চিঠির কোনও জবাব দেয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ 

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ইউরোপে আশ্রয় চান পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

এবার দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার জেলখানায় গত ৯ মাস ধরে আটক আছেন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকার বনানী থানার সাবেক পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা। বাংলাদেশ থেকে পলাতক সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার স্বজন (চাচাতো ভাই) বলে দাবি করে আলবেনিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইছেন।

সোহেল রানার পৃষ্ঠপোষকতায় চলা ‘ই-অরেঞ্জ’-এর বিরুদ্ধে ১,১০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ঢাকায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। বস্তুত, হাসিনার আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই মামলার পর পরই ২০২১ সালে বাংলাদেশ ছাড়েন তিনি। দাবি করা হয়, ভারত হয়ে নেপালে পালানোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি ভারত থেকে পর্তুগাল হয়ে আলবেনিয়ায় পালিয়ে যান।

২০২২ সাল থেকেই তার খোঁজে ‘রেড নোটিস’ জারি করে ইন্টারপোল। শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি আলবেনিয়ায় গ্রেফতার হন তিনি। গত ৯ মাস ধরে ওই ইউরোপীয় দেশেই বন্দি রয়েছেন সোহেল। এখন সে দেশেই রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিজেকে ‘হাসিনার স্বজন’ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, সেই কারণেই তিনি বাংলাদেশ ছেড়েছেন। এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের পুলিশ সদর দফতরের মুখপাত্র এএইচএম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সোহেল রানা এখন আলবেনিয়ার কারাগারে আছেন। তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে আলবেনিয়ার পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের সেসব চিঠির কোনও জবাব দেয়নি।