ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নরওয়ের বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলতে প্রস্তুত নেইমার, জানালেন আনচেলত্তি মরক্কোর কাছে ৩-০ গোলে হারল কানাডা মেহেরপুরে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল, গণরায় বাস্তবায়নের দাবি পুরো ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত নেইমার: আনচেলত্তি ৩ মিনিটে বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’ ডাকার কারণ জানালেন কৃষি কর্মকর্তা যাদের ডাকে সন্তান মারা গেলো তারাই খোঁজ নেয় নাই: জুলাই শহীদের মা স্বপ্নের নেতা তারেক রহমানের বাংলাদেশ গড়ব আমরা: মির্জা ফখরুল ‘আর্জেন্টিনার খেলা দেখে টেনশন হচ্ছিল’ বলার পর নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি ফিফা সভাপতির আমাকে থামাতে চাইলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত বন্ধু : বিরোধীদলীয় নেতা

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ইউরোপে আশ্রয় চান পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

এবার দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার জেলখানায় গত ৯ মাস ধরে আটক আছেন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকার বনানী থানার সাবেক পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা। বাংলাদেশ থেকে পলাতক সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার স্বজন (চাচাতো ভাই) বলে দাবি করে আলবেনিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইছেন।

সোহেল রানার পৃষ্ঠপোষকতায় চলা ‘ই-অরেঞ্জ’-এর বিরুদ্ধে ১,১০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ঢাকায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। বস্তুত, হাসিনার আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই মামলার পর পরই ২০২১ সালে বাংলাদেশ ছাড়েন তিনি। দাবি করা হয়, ভারত হয়ে নেপালে পালানোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি ভারত থেকে পর্তুগাল হয়ে আলবেনিয়ায় পালিয়ে যান।

২০২২ সাল থেকেই তার খোঁজে ‘রেড নোটিস’ জারি করে ইন্টারপোল। শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি আলবেনিয়ায় গ্রেফতার হন তিনি। গত ৯ মাস ধরে ওই ইউরোপীয় দেশেই বন্দি রয়েছেন সোহেল। এখন সে দেশেই রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিজেকে ‘হাসিনার স্বজন’ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, সেই কারণেই তিনি বাংলাদেশ ছেড়েছেন। এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের পুলিশ সদর দফতরের মুখপাত্র এএইচএম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সোহেল রানা এখন আলবেনিয়ার কারাগারে আছেন। তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে আলবেনিয়ার পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের সেসব চিঠির কোনও জবাব দেয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নরওয়ের বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলতে প্রস্তুত নেইমার, জানালেন আনচেলত্তি

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই পরিচয়ে ইউরোপে আশ্রয় চান পলাতক পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

এবার দক্ষিণপূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ার জেলখানায় গত ৯ মাস ধরে আটক আছেন আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের পৃষ্ঠপোষক ও ঢাকার বনানী থানার সাবেক পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা। বাংলাদেশ থেকে পলাতক সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেকে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার স্বজন (চাচাতো ভাই) বলে দাবি করে আলবেনিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাইছেন।

সোহেল রানার পৃষ্ঠপোষকতায় চলা ‘ই-অরেঞ্জ’-এর বিরুদ্ধে ১,১০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধেও ঢাকায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে ৯টি মামলা রয়েছে। বস্তুত, হাসিনার আমলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। ওই মামলার পর পরই ২০২১ সালে বাংলাদেশ ছাড়েন তিনি। দাবি করা হয়, ভারত হয়ে নেপালে পালানোর সময়ে পশ্চিমবঙ্গে ধরা পড়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে তিনি ভারত থেকে পর্তুগাল হয়ে আলবেনিয়ায় পালিয়ে যান।

২০২২ সাল থেকেই তার খোঁজে ‘রেড নোটিস’ জারি করে ইন্টারপোল। শেষে গত ১ ফেব্রুয়ারি আলবেনিয়ায় গ্রেফতার হন তিনি। গত ৯ মাস ধরে ওই ইউরোপীয় দেশেই বন্দি রয়েছেন সোহেল। এখন সে দেশেই রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি নিজেকে ‘হাসিনার স্বজন’ বলে দাবি করেছেন। তার দাবি, সেই কারণেই তিনি বাংলাদেশ ছেড়েছেন। এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হলে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথাও আলবেনিয়ার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের পুলিশ সদর দফতরের মুখপাত্র এএইচএম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সোহেল রানা এখন আলবেনিয়ার কারাগারে আছেন। তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে আলবেনিয়ার পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা আমাদের সেসব চিঠির কোনও জবাব দেয়নি।