ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার সুখবর দিলো কাতার আওয়ামী লীগকে আর কখনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: হাসনাত  রাস্তার ইট তুলে নিজ বাড়িতে পাকা বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে গঙ্গা নদীতে আমিষ বর্জ্য ফেলা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: ভারতীয় হাইকোর্ট বিএনপির ১৮ নেতা-কর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিরকুট ও বোমা রেখে গেল দুর্বৃত্তরা! আরেকটা গণঅভ্যুত্থান হলে আগে ইসিকে হাত দিব: নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ধৈর্যেরও একটা সীমা আছে, আমিরাতকে হুঁশিয়ারি ইরানের আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত না ঘটাতে সব দলকে বসার আহ্বান সিইসির

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের আদেশ হবে গণ-অভ্যুত্থানের কফিনে শেষ পেরেক: নাহিদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৯৫ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়নের আদেশ জারি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘জুলাই সনদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কার্যালয় থেকে জারি হলে সেটা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে।’ আজ রবিবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাহিদ এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ অবশ্যই এবং অবশ্যই অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। জুলাই সনদ যদি প্রেসিডেন্ট, তথাকথিত প্রেসিডেন্ট যিনি আছেন তার থেকে জারি হয়, প্রেসিডেট অফিস থেকে জারি হয়, তাইলে এই জুলাই সনদের কোনো আইনি এবং রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে না। বরং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নামে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম এই নেতা বলেন, ‘যদি প্রেসিডেন্ট চুপ্পু এই আদেশ দেন, তার কোনো ধরনের রাজনৈতিক বৈধতা নেই, এমনকি আইনি, সাংবিধানিক বৈধতাও নেই এই ধরনের কোনো আদেশ জারি করার। ফলে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই আদেশটি জারি করতে হবে।’

গণভোটের সময় নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দ্বন্দ্বের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সনদে কী কী সংস্কার হবে, কী কী প্রস্তাবনা থাকবে এবং সেটার আইনি ভিত্তিটা কিভাবে হবে, অধ্যাপক ড. ইউনূস সেটা আদেশ জারি করবেন কি না এগুলো হলো প্রধান ইস্যু, প্রধান তর্কের জায়গা। এই জায়গাগুলোতে একমত হলে গণভোট আমরা ইলেকশনের দিনও করতে পারি, ইলেকশনের আগেও করতে পারি। সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি। কিন্তু গণভোট আগে হবে নাকি ইলেকশনের দিন হবে—এটা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত একটা দ্বন্দ্বে চলে গেছে। এ দ্বন্দ্বটা অযথা-অপ্রয়োজনীয় বলে আমরা মনে করছি।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের আদেশ হবে গণ-অভ্যুত্থানের কফিনে শেষ পেরেক: নাহিদ

আপডেট সময় ০৫:১০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়নের আদেশ জারি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘জুলাই সনদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কার্যালয় থেকে জারি হলে সেটা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে।’ আজ রবিবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাহিদ এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ অবশ্যই এবং অবশ্যই অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। জুলাই সনদ যদি প্রেসিডেন্ট, তথাকথিত প্রেসিডেন্ট যিনি আছেন তার থেকে জারি হয়, প্রেসিডেট অফিস থেকে জারি হয়, তাইলে এই জুলাই সনদের কোনো আইনি এবং রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে না। বরং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নামে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার কফিনে শেষ পেরেক মারা হবে।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম এই নেতা বলেন, ‘যদি প্রেসিডেন্ট চুপ্পু এই আদেশ দেন, তার কোনো ধরনের রাজনৈতিক বৈধতা নেই, এমনকি আইনি, সাংবিধানিক বৈধতাও নেই এই ধরনের কোনো আদেশ জারি করার। ফলে অবশ্যই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই আদেশটি জারি করতে হবে।’

গণভোটের সময় নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের দ্বন্দ্বের সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সনদে কী কী সংস্কার হবে, কী কী প্রস্তাবনা থাকবে এবং সেটার আইনি ভিত্তিটা কিভাবে হবে, অধ্যাপক ড. ইউনূস সেটা আদেশ জারি করবেন কি না এগুলো হলো প্রধান ইস্যু, প্রধান তর্কের জায়গা। এই জায়গাগুলোতে একমত হলে গণভোট আমরা ইলেকশনের দিনও করতে পারি, ইলেকশনের আগেও করতে পারি। সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি। কিন্তু গণভোট আগে হবে নাকি ইলেকশনের দিন হবে—এটা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত একটা দ্বন্দ্বে চলে গেছে। এ দ্বন্দ্বটা অযথা-অপ্রয়োজনীয় বলে আমরা মনে করছি।’