ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সরকার মনে করে সেনাবাহিনীকে আর মাঠে রাখার প্রয়োজন নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত কিছু ভোলে না, কাউকে ক্ষমাও করে না: ভারতীয় বিমান বাহিনী  কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে অবরুদ্ধ এমপি আমির হামজা প্রান্তিক কৃষকদের পাশে ব্র্যাক: বাউফলে ১০০ কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ বিতরণ ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?: বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন এবার লক্কড়ঝক্কড় গাড়ির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামছে ডিএমপি বগুড়ায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটির ঘোষণা বড় নেতাদের রক্ষিতা রাখার চেয়েও আমার দ্বিতীয় বিয়ে বড় অপরাধ!: সমালোচনার জবাবে মাদানী ভারত থেকে তিন ট্রাক বিস্ফোরক আমদানি করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা রেহেনা এখন এবি পার্টির এমপি প্রার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা। একসময় আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত রেহেনা ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দেন। সে ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেনবুকে আপলোডও করেন তিনি। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর তার রাজনৈতিক অবস্থানে আসে নাটকীয় পরিবর্তন। যোগ দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিতে। বর্তমানে নিজেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী দাবি করে জনসংযোগ, সভা-সমাবেশ করছেন তিনি। এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রেহেনার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নেতৃত্ব দিতেন তিনি। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, অতীতের দুই জাতীয় নির্বাচনে নারী ভোটারদের নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করেন রেহেনা। ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলত না। এছাড়া কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক সহ-সভাপতিকে বিয়েও করেন তিনি।

স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলে যারা প্রকাশ্যে ভোট দিতে অস্বীকার করেন, তাদের মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে কীসে ভোট দিচ্ছে তা দেখাতে বাধ্য করেন তিনি। এক সময়ের এই আওয়ামী নেত্রীকে কীভাবে অন্য একটি দল মনোনয়ন দিতে পারে, সে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তবে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনার প্রার্থিতা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন এবি পার্টির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ১০৯টি আসনে আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

প্রকাশ্যে নৌকায় সিলমারা ছবি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা বলেন, ছবিটি এডিট করা। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যায় না। শামীম ওসমানের সঙ্গে ছবি ও সমাবেশে যোগ দেওয়ার ছবির বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, সে সময় বাধ্য হয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। নির্দেশনা ছিল যাওয়ার, তাই লোকজন নিয়ে গিয়েছি। এ যাওয়া অন্যায় কি না তিনি প্রশ্ন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক সুযোগ নেওয়ার জন্যই রেহেনা তার অবস্থার পরিবর্তন করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ শিক্ষক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা রেহেনা এখন এবি পার্টির এমপি প্রার্থী

আপডেট সময় ১০:৪৬:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

এবার নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা। একসময় আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে পরিচিত রেহেনা ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দেন। সে ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেনবুকে আপলোডও করেন তিনি। কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর তার রাজনৈতিক অবস্থানে আসে নাটকীয় পরিবর্তন। যোগ দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টিতে। বর্তমানে নিজেকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী দাবি করে জনসংযোগ, সভা-সমাবেশ করছেন তিনি। এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রেহেনার উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নেতৃত্ব দিতেন তিনি। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, অতীতের দুই জাতীয় নির্বাচনে নারী ভোটারদের নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করেন রেহেনা। ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলত না। এছাড়া কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক এক সহ-সভাপতিকে বিয়েও করেন তিনি।

স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলে যারা প্রকাশ্যে ভোট দিতে অস্বীকার করেন, তাদের মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে কীসে ভোট দিচ্ছে তা দেখাতে বাধ্য করেন তিনি। এক সময়ের এই আওয়ামী নেত্রীকে কীভাবে অন্য একটি দল মনোনয়ন দিতে পারে, সে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। তবে ফেরদৌসী আক্তার রেহেনার প্রার্থিতা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন এবি পার্টির দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন, ১০৯টি আসনে আমাদের প্রার্থী চূড়ান্ত হলেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।

প্রকাশ্যে নৌকায় সিলমারা ছবি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ফেরদৌসী আক্তার রেহেনা বলেন, ছবিটি এডিট করা। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে যাওয়া যায় না। শামীম ওসমানের সঙ্গে ছবি ও সমাবেশে যোগ দেওয়ার ছবির বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, সে সময় বাধ্য হয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। নির্দেশনা ছিল যাওয়ার, তাই লোকজন নিয়ে গিয়েছি। এ যাওয়া অন্যায় কি না তিনি প্রশ্ন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক সুযোগ নেওয়ার জন্যই রেহেনা তার অবস্থার পরিবর্তন করেন।