ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ছাত্রশিবিরের বিগত ১৬ বছরে মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা ডাকাতি হয়েছে: সারজিস ইসরাইলি বাহিনীর ঘুম হারাম করছে হিজবুল্লাহর ‘ফাইবার-অপটিক ড্রোন’ ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো শক্তি নেই যা ইরানের সংকল্পকে দুর্বল করতে পারে: আইআরজিসি ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন

জামায়াত–এনসিপি আসন সমঝোতার আলোচনা চলছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আলোচনার বিস্তারিত বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি তিনি।

অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বিষয় চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এবং বিলুপ্ত গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি সামনে আনেন।

পোস্টে তিনি লেখেন,
“তারুণ্যের রাজনীতির কবর রচিত হতে যাচ্ছে। এনসিপি অবশেষে জামায়াতের সঙ্গেই সরাসরি জোট বাঁধছে। সারাদেশের মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিল করতেই এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত এনসিপি জামায়াতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।”

আব্দুল কাদের তার পোস্টে আরও দাবি করেন, শুরুতে এনসিপি জামায়াতের কাছে ৫০টি আসন দাবি করলেও দর কষাকষির শেষ পর্যায়ে তা ৩০ আসনে নেমে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জোটের শর্তে এনসিপি বাকি ২৭০টি আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না এবং সেসব আসনে জামায়াতকে সহযোগিতা করবে।

তবে এনসিপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি। দলটির নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামের মাধ্যমে জানানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

জামায়াত–এনসিপি আসন সমঝোতার আলোচনা চলছে

আপডেট সময় ০৫:৪৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আলোচনার বিস্তারিত বা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানাননি তিনি।

অন্যদিকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম আদীব জানিয়েছেন, জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বিষয় চূড়ান্ত হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক এবং বিলুপ্ত গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি সামনে আনেন।

পোস্টে তিনি লেখেন,
“তারুণ্যের রাজনীতির কবর রচিত হতে যাচ্ছে। এনসিপি অবশেষে জামায়াতের সঙ্গেই সরাসরি জোট বাঁধছে। সারাদেশের মানুষ ও নেতাকর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিল করতেই এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল এই জোটের ঘোষণা আসতে পারে। এর মধ্য দিয়ে কার্যত এনসিপি জামায়াতের গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।”

আব্দুল কাদের তার পোস্টে আরও দাবি করেন, শুরুতে এনসিপি জামায়াতের কাছে ৫০টি আসন দাবি করলেও দর কষাকষির শেষ পর্যায়ে তা ৩০ আসনে নেমে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জোটের শর্তে এনসিপি বাকি ২৭০টি আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না এবং সেসব আসনে জামায়াতকে সহযোগিতা করবে।

তবে এনসিপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এসব দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা অস্বীকার করা হয়নি। দলটির নেতারা বলছেন, রাজনৈতিক আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং যেকোনো সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামের মাধ্যমে জানানো হবে।