ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো শক্তি নেই যা ইরানের সংকল্পকে দুর্বল করতে পারে: আইআরজিসি ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন আফ্রিকা সফরে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টকে ‘ইঁদুর’ বলল চীন ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন ইরানকে চাপে রাখতে এবার হরমুজে মার্কিন ‘এসকর্ট’ মিশন আমাদের লড়াই চলবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ কেউ যেন সিন্ডিকেট করে দ্রব্যের দাম বাড়াতে না পারে: ডিসিদের প্রধানমন্ত্রী

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী

এবার ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে রাষ্ট্র ও জনগণকে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এই চিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল ও বিভাজিত জনপ্রশাসন এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুদকসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ছিল ভঙ্গুর অবস্থা। দেশকে আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল, বেড়েছিল দারিদ্র্য ও বেকারত্ব, তৈরি হয়নি নতুন কর্মসংস্থান।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতিও নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সেই প্রচেষ্টা সরকার অব্যাহত রেখেছে।

এই বাস্তবতার মধ্যেই দেশের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার কার্যক্রমও চালু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

এবার ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে রাষ্ট্র ও জনগণকে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এই চিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল ও বিভাজিত জনপ্রশাসন এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুদকসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ছিল ভঙ্গুর অবস্থা। দেশকে আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল, বেড়েছিল দারিদ্র্য ও বেকারত্ব, তৈরি হয়নি নতুন কর্মসংস্থান।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতিও নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সেই প্রচেষ্টা সরকার অব্যাহত রেখেছে।

এই বাস্তবতার মধ্যেই দেশের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার কার্যক্রমও চালু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।