ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১ জুলাই থেকে মার্চেন্টদের জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক দেশের ১৪ অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা সরকারি দলের দায়িত্বহীন বক্তব্যে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বাড়ছে: জামায়াত আমির ইরানের পক্ষে যুদ্ধে না জড়ানোয় এরদোয়ানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প রাজনৈতিক খুনোখুনি: দায় চাপিয়ে দায়মুক্তি চাইছে বিএনপি-জামায়াত? খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানের আমন্ত্রণ পেয়ে ‘বিপাকে’ মোদি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার উপকূলে ব্যাপক লুটপাট আশুরার রোজা কয়টি? আলেমদের অভিমত কী বলছে ‘চার মাসের মধ্যে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে দেশ’

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

এবার ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে রাষ্ট্র ও জনগণকে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এই চিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল ও বিভাজিত জনপ্রশাসন এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুদকসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ছিল ভঙ্গুর অবস্থা। দেশকে আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল, বেড়েছিল দারিদ্র্য ও বেকারত্ব, তৈরি হয়নি নতুন কর্মসংস্থান।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতিও নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সেই প্রচেষ্টা সরকার অব্যাহত রেখেছে।

এই বাস্তবতার মধ্যেই দেশের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার কার্যক্রমও চালু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১ জুলাই থেকে মার্চেন্টদের জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

এবার ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে রাষ্ট্র ও জনগণকে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়ে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারকে কাজ শুরু করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৩ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার এই চিত্র তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল ও বিভাজিত জনপ্রশাসন এবং অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, দুদকসহ প্রতিটি সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও ছিল ভঙ্গুর অবস্থা। দেশকে আমদানিনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল, বেড়েছিল দারিদ্র্য ও বেকারত্ব, তৈরি হয়নি নতুন কর্মসংস্থান।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতিও নতুন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে কোনো দেশই রেহাই পায়নি। তবে জনগণের ভোগান্তি না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়, সেই প্রচেষ্টা সরকার অব্যাহত রেখেছে।

এই বাস্তবতার মধ্যেই দেশের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড ও স্পোর্টস কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়ার কার্যক্রমও চালু হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষকে রাষ্ট্রীয় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।