ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ছাত্রশিবিরের বিগত ১৬ বছরে মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা ডাকাতি হয়েছে: সারজিস ইসরাইলি বাহিনীর ঘুম হারাম করছে হিজবুল্লাহর ‘ফাইবার-অপটিক ড্রোন’ ফেসবুকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখে পোস্ট, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার চাঁদা লাগলে চাঁদা নে, নতুন করে কমিটি দে’, পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের স্লোগান জানা গেল ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই সরকার: প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো শক্তি নেই যা ইরানের সংকল্পকে দুর্বল করতে পারে: আইআরজিসি ক্ষমতার বাহানায় বিএনপি সরকার সংস্কার করতে চায় না: আখতার হোসেন

বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ, বিজেপি অফিস ভাঙচুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩০৫৬ বার পড়া হয়েছে

ভোলায় ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর ভোলা শহরের নতুন বাজার এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) জেলা কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার প্রতিবাদে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সদর রোড হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পেছনের অংশে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া বিএনপির একাংশ উত্তেজিত হয়ে নতুন বাজার এলাকায় অবস্থিত জেলা বিজেপির কার্যালয়ে হামলা চালায়। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন অভিযোগ করেন, গত ২৪ ডিসেম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা সিফাতকে বিজেপির লোকজন কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই বিএনপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হয়। তিনি দাবি করেন, মিছিলটি নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিজেপির কার্যালয় থেকে মিছিল লক্ষ্য করে বোমা হামলা করা হয়, যার জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাসিম বিল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজেপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। সে সময় কার্যালয় তালাবদ্ধ ছিল এবং সেখানে কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বিএনপির মিছিল নতুন বাজার এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপির অফিসের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বিজেপির কার্যালয়ের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না তা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এখন থেকে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ব্যবস্থা, হতে পারে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ, বিজেপি অফিস ভাঙচুর

আপডেট সময় ০৭:৩১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ভোলায় ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর ভোলা শহরের নতুন বাজার এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) জেলা কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার প্রতিবাদে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি সদর রোড হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পেছনের অংশে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এ সময় মিছিলে অংশ নেওয়া বিএনপির একাংশ উত্তেজিত হয়ে নতুন বাজার এলাকায় অবস্থিত জেলা বিজেপির কার্যালয়ে হামলা চালায়। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
ভোলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন অভিযোগ করেন, গত ২৪ ডিসেম্বর রাজাপুর ইউনিয়নের ছাত্রদল নেতা সিফাতকে বিজেপির লোকজন কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদেই বিএনপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হয়। তিনি দাবি করেন, মিছিলটি নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিজেপির কার্যালয় থেকে মিছিল লক্ষ্য করে বোমা হামলা করা হয়, যার জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোতাসিম বিল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেরাই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজেপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। সে সময় কার্যালয় তালাবদ্ধ ছিল এবং সেখানে কোনো নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বিএনপির মিছিল নতুন বাজার এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় বিজেপির অফিসের সামনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। তবে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শর্টগানের ফাঁকা গুলি ছোড়ে। বিজেপির কার্যালয়ের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না তা তদন্ত করে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে।