ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর ৫ দাঁত ভেঙে দিল যুবক রাশিয়ার নির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয় পেল পুতিনের দল তারেক রহমানের বক্তব্যে বিশ্বনেতারা আলোড়িত হবেন: রাষ্ট্রদূত বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জাতিসংঘে ‘আমাদের’ বিরাট পদোন্নতি, বলে উচ্ছ্বাস ড. ইউনূসের বিশ্বজুড়ে ডিজেলের সংকট, স্বস্তি মিলবে না ২০২৭ সালেও এবার সৌদি আরবের পাশে দাঁড়াচ্ছে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স এবার নিজের কৃতিত্ব দেখাতে ‘ট্রাম্প টিভি’ চালু করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার সতর্কবার্তা ইরানের ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক হচ্ছে না: হুমায়ুন কবির

এপ্রিলে নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভীর প্রশ্ন: “কোন সুতার টানে ড. ইউনূস এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন?”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে আগামী এপ্রিল মাসে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তার মতে, “দু-একজন লোক বা রাজনৈতিক দলের কথায়” প্রধান উপদেষ্টা এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা জনগণ অর্বাচীনের মতো কাজ হিসেবে বিবেচনা করছে।

রবিবার (৮ জুন) রাজধানীতে জাতীয়তাবাদী ভ্যান শ্রমিক ও রিকশা শ্রমিক দলের আয়োজনে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, “এপ্রিলে প্রচণ্ড খরতাপ, ঝড়-বৃষ্টি ও পরীক্ষার মৌসুম থাকে। তাছাড়া তখন রমজানের পরপরই ঈদ অনুষ্ঠিত হবে। এমন সময়ে নির্বাচন আয়োজন মানে রোজা রেখে জনগণকে প্রচারণায় নামতে বাধ্য করা—যা একেবারেই অযৌক্তিক।”

রিজভী আরও বলেন, “কোন সুতার টানে, কার পরামর্শে ড. ইউনূস এপ্রিলে নির্বাচন বলছেন? তিনি কেন নির্বাচন নিয়ে টানাহেঁচড়া করছেন?”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, “গণতন্ত্র আর সংস্কারকে মুখোমুখি করেছে এই সরকার। তারা ক্ষমতায় এলেই চিরস্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। অন্তর্বর্তী সরকারের শরীরেও সেই বঙ্কিম বাতাস লাগছে কি না, জনগণের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে এদেশের মানুষ সঠিকভাবে ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ দিনের ভোট রাতে দিয়েছে। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের ইতিহাসকে পদদলিত করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রের প্রধান মাধ্যম হলো নির্বাচন। অধিকাংশ মানুষের সমর্থন যাকে থাকবে, সেই হবে বিজয়ী। আর সেই নির্বাচন আদায়ের জন্যই আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুম, খুন ও কারাবরণ করেছেন।”

ড. ইউনূসের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “জাপানে গিয়ে তিনি বলে এসেছেন, একটি দল ছাড়া কেউ নির্বাচন চায় না। অথচ তার জানা উচিত, সেই দলের জনসমর্থন কতটুকু। অথচ অনেক রাজনৈতিক দল এখন ডিসেম্বরে নির্বাচন চাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুব ইসলাম ও ডা. জাহিদুল কবির। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক জহির রায়হান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আফজাল হোসেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আরিফুর রহমান তুষার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর ৫ দাঁত ভেঙে দিল যুবক

এপ্রিলে নির্বাচন প্রসঙ্গে রিজভীর প্রশ্ন: “কোন সুতার টানে ড. ইউনূস এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন?”

আপডেট সময় ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে আগামী এপ্রিল মাসে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তার মতে, “দু-একজন লোক বা রাজনৈতিক দলের কথায়” প্রধান উপদেষ্টা এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যা জনগণ অর্বাচীনের মতো কাজ হিসেবে বিবেচনা করছে।

রবিবার (৮ জুন) রাজধানীতে জাতীয়তাবাদী ভ্যান শ্রমিক ও রিকশা শ্রমিক দলের আয়োজনে ঈদ উপলক্ষে খাবার বিতরণকালে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, “এপ্রিলে প্রচণ্ড খরতাপ, ঝড়-বৃষ্টি ও পরীক্ষার মৌসুম থাকে। তাছাড়া তখন রমজানের পরপরই ঈদ অনুষ্ঠিত হবে। এমন সময়ে নির্বাচন আয়োজন মানে রোজা রেখে জনগণকে প্রচারণায় নামতে বাধ্য করা—যা একেবারেই অযৌক্তিক।”

রিজভী আরও বলেন, “কোন সুতার টানে, কার পরামর্শে ড. ইউনূস এপ্রিলে নির্বাচন বলছেন? তিনি কেন নির্বাচন নিয়ে টানাহেঁচড়া করছেন?”

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি মন্তব্য করেন, “গণতন্ত্র আর সংস্কারকে মুখোমুখি করেছে এই সরকার। তারা ক্ষমতায় এলেই চিরস্থায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। অন্তর্বর্তী সরকারের শরীরেও সেই বঙ্কিম বাতাস লাগছে কি না, জনগণের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে এদেশের মানুষ সঠিকভাবে ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ দিনের ভোট রাতে দিয়েছে। অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের ইতিহাসকে পদদলিত করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “গণতন্ত্রের প্রধান মাধ্যম হলো নির্বাচন। অধিকাংশ মানুষের সমর্থন যাকে থাকবে, সেই হবে বিজয়ী। আর সেই নির্বাচন আদায়ের জন্যই আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুম, খুন ও কারাবরণ করেছেন।”

ড. ইউনূসের বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, “জাপানে গিয়ে তিনি বলে এসেছেন, একটি দল ছাড়া কেউ নির্বাচন চায় না। অথচ তার জানা উচিত, সেই দলের জনসমর্থন কতটুকু। অথচ অনেক রাজনৈতিক দল এখন ডিসেম্বরে নির্বাচন চাচ্ছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুব ইসলাম ও ডা. জাহিদুল কবির। সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক জহির রায়হান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আফজাল হোসেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আরিফুর রহমান তুষার।