ঢাকা , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা বাবা ভাই বোনকে হারানোর খবর শুরুতে জানতো না আবরার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাসচাপায় প্রাইভেট কারে থাকা শিশুসহ পাচঁ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় মা বাবা ভাই বোনকে হারানোর খবরটি শুরুতে জানতো না ১২ বছরের আবরার। সে জানতো- আহত হয়ে সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আবরার নিজেও তখন ছিলো হাসপাতালের বেডে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে ঘটে এই দুর্ঘটনা।

 

বৃহস্পতিবার রাতে যখন স্বজনরা ময়নামতি হাইওয়ে থানা থেকে পরিবারের সদস্যদের মরদেহ আনতে যায় তখন সে জানতে পারে যে, সড়ক দুর্ঘটনায় কেবল নিজেই বেঁচে গেছেন; আর পরিবারের সবাই মারা গেছে। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আবরার।

 

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নানা বাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে প্রাইভেটকারে বাবা-মা-ভাই-বোনের সঙ্গে ঢাকায় ফিরছিল আবরার। পথে প্রাইভেটকারে বাসের ধাক্কায় সবাইকে হারালেও সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে আবরার। তার আরেকটি ভাই হুজাইফা (২৫) নানা বাড়িতে থাকায় সেও বেঁচে যায়। ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকার মোহাম্মদপুরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদেরকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আবরারের বাবা রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার মুফতি ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেত্রী নিলোফার চৌধুরীর বক্তব্যে জামায়াতের ক্ষোভ

মা বাবা ভাই বোনকে হারানোর খবর শুরুতে জানতো না আবরার

আপডেট সময় ০৭:০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাসচাপায় প্রাইভেট কারে থাকা শিশুসহ পাচঁ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় মা বাবা ভাই বোনকে হারানোর খবরটি শুরুতে জানতো না ১২ বছরের আবরার। সে জানতো- আহত হয়ে সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আবরার নিজেও তখন ছিলো হাসপাতালের বেডে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে ঘটে এই দুর্ঘটনা।

 

বৃহস্পতিবার রাতে যখন স্বজনরা ময়নামতি হাইওয়ে থানা থেকে পরিবারের সদস্যদের মরদেহ আনতে যায় তখন সে জানতে পারে যে, সড়ক দুর্ঘটনায় কেবল নিজেই বেঁচে গেছেন; আর পরিবারের সবাই মারা গেছে। এরপর থেকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আবরার।

 

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নানা বাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে প্রাইভেটকারে বাবা-মা-ভাই-বোনের সঙ্গে ঢাকায় ফিরছিল আবরার। পথে প্রাইভেটকারে বাসের ধাক্কায় সবাইকে হারালেও সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছে আবরার। তার আরেকটি ভাই হুজাইফা (২৫) নানা বাড়িতে থাকায় সেও বেঁচে যায়। ঈদ উদযাপন শেষে ঢাকার মোহাম্মদপুরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদেরকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আবরারের বাবা রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার মুফতি ছিলেন।