ঢাকা , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাবার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনতাই, মূল হোতার রিমান্ড শুনানি রোববার ঋণ নিয়ে চাষ করা ধান ডুবে যাওয়া দেখে কৃষকের মৃত্যু হাওরে ডুবে যাওয়া ধান কেটে দিচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা, ভিডিও ভাইরাল আজকে সবার মুখোশ ফাঁস করব: মৌসুমী হামিদ শিয়ালের মুখ থেকে শিশুকে জীবিত ফিরিয়ে আনলেন মা লিমন-বৃষ্টি হত্যায় শুধু হিশাম নয়, জড়িত ছিল আরও একজন ভুয়া অ্যাডিশনাল এসপি পরিচয়ে প্রতারণার দায়ে যুবক গ্রেফতার আরব আমিরাতকে ‘গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ পরিকল্পনা সৌদিকে জানিয়েছিল ইরান জামায়াতের উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা: মির্জা ফখরুল এবার শাপলা চত্বরে শহীদদের স্মরণে দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

লিমন-বৃষ্টি হত্যায় শুধু হিশাম নয়, জড়িত ছিল আরও একজন

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় দুজনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলেন জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। এ ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হলেও এই হত্যাকাণ্ডে আরেকজন জড়িত বলে জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (এইচসিএসও)।

 

শুক্রবার (১ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় এইচসিএসও।

 

শেরিফ চ্যাড ক্রনিস্টার জানান, গত ২৬ এপ্রিল ইন্টারস্টে ২৭৫ ও ফোর্থ স্ট্রিট নর্থ এলাকার জলাশয়ে অভিযান চালিয়ে মানব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় যে, ওই দেহাবশেষটি হলো উনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির।

 

তিনি বলেন, বৃষ্টি ও লিমন শুধু শিক্ষার্থীই ছিল না। তারা ছিল উদ্যমী ও মেধাবী। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রাপ্ত ছিল তাদের। কিন্তু ঘাতক তা হতে দেয়নি। নির্মমভাবে এই দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল সকালে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তাদের এক বন্ধু বিষয়টি অবগত করেন। তারা প্রশাসনকে জানান।

 

ক্রনিস্টার আরও জানান, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর অনুসন্ধানের সময় প্রশাসনের সন্দেহ হয় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে। এই মার্কিন নাগরিককে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি একই নন, তার সঙ্গে আরেকজন জড়িত। তিনিও হিশামের রুমমেট বলে জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি এইচসিএসও।

 

অ্যাভালন হাইটসে লিমনের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তদন্ত শুরু করে এইচসিএসও। শেরিফ বলছে, হিশামের অস্বস্তিকর আচরণ ও মন্তব্যের কারণে অ্যাপার্টমেন্টে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছিল। আর তার বিরুদ্ধে প্রথম ক্লু পাওয়া যায় যখন অ্যাপার্টমেন্টের কাছের একটি ডাস্টবিনের ভেতর থেকে রক্তমাখা জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়া যায়। তখনই এইচসিএসও এই মামলার অবস্থাকে ‘নিখোঁজ’ ধরে অনুসন্ধান শুরু করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনতাই, মূল হোতার রিমান্ড শুনানি রোববার

লিমন-বৃষ্টি হত্যায় শুধু হিশাম নয়, জড়িত ছিল আরও একজন

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যার ঘটনায় দুজনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলেন জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। এ ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হলেও এই হত্যাকাণ্ডে আরেকজন জড়িত বলে জানিয়েছে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (এইচসিএসও)।

 

শুক্রবার (১ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় এইচসিএসও।

 

শেরিফ চ্যাড ক্রনিস্টার জানান, গত ২৬ এপ্রিল ইন্টারস্টে ২৭৫ ও ফোর্থ স্ট্রিট নর্থ এলাকার জলাশয়ে অভিযান চালিয়ে মানব দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। পরে ডিএনএ পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয় যে, ওই দেহাবশেষটি হলো উনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির।

 

তিনি বলেন, বৃষ্টি ও লিমন শুধু শিক্ষার্থীই ছিল না। তারা ছিল উদ্যমী ও মেধাবী। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রাপ্ত ছিল তাদের। কিন্তু ঘাতক তা হতে দেয়নি। নির্মমভাবে এই দুই শিক্ষার্থীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। গত ১৬ এপ্রিল সকালে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকেই কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তাদের এক বন্ধু বিষয়টি অবগত করেন। তারা প্রশাসনকে জানান।

 

ক্রনিস্টার আরও জানান, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর অনুসন্ধানের সময় প্রশাসনের সন্দেহ হয় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে। এই মার্কিন নাগরিককে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি একই নন, তার সঙ্গে আরেকজন জড়িত। তিনিও হিশামের রুমমেট বলে জানা গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি এইচসিএসও।

 

অ্যাভালন হাইটসে লিমনের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তদন্ত শুরু করে এইচসিএসও। শেরিফ বলছে, হিশামের অস্বস্তিকর আচরণ ও মন্তব্যের কারণে অ্যাপার্টমেন্টে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করা হয়েছিল। আর তার বিরুদ্ধে প্রথম ক্লু পাওয়া যায় যখন অ্যাপার্টমেন্টের কাছের একটি ডাস্টবিনের ভেতর থেকে রক্তমাখা জিনিসপত্র খুঁজে পাওয়া যায়। তখনই এইচসিএসও এই মামলার অবস্থাকে ‘নিখোঁজ’ ধরে অনুসন্ধান শুরু করে।