ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর একই ভুল করলে বিএনপির অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে: ফজলুর রহমান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি, তাই রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন: কায়সার হামিদ স্বামীকে হত্যা করে লাশ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী সিরাজগঞ্জের এতিম দুই শিশুর পাশে প্রধানমন্ত্রী জামায়াত ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হবে, এটা আগে কেউ মনে করতেন না: শফিকুর রহমান তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, উপজেলা যুবদল নেতা বহিষ্কার আমাদের বড় সীমাবদ্ধতা ছিল রাজনৈতিক ‘ম্যান্ডেটের’ অভাব ইরান যুদ্ধে গোপনে আমিরাত সফর করেছিলেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান বিছানাকান্দিতে গোসলে নেমে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ইরানের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই: গালিবাফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২০:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের প্রতিনিধিদল। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাতে (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে পৌঁছে ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, তেহরানের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই। ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকোলে তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের বিশ্বাসঘাতকতার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন।

গালিবাফ বলেন, ‘ইরানের সদিচ্ছা থাকার পরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আলোচনার মাঝপথে  দুইবার তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ করেছে।তিনি বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু (আমেরিকানদের ওপর) আমাদের আস্থা নেই।ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক উল্লেখ করেন, যদি আমেরিকান পক্ষ একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে এবং ইরানি জাতির অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকেও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুতি দেখতে পাবে।

পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কিন্তু আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বক্তব্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাকিস্তানের তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার আলোচনায় অংশ নেবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর

ইরানের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই: গালিবাফ

আপডেট সময় ১০:২০:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের প্রতিনিধিদল। শুক্রবার স্থানীয় সময় রাতে (১০ এপ্রিল) ইসলামাবাদে পৌঁছে ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, তেহরানের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু ওয়াশিংটনের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই। ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকোলে তিনি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের বিশ্বাসঘাতকতার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন।

গালিবাফ বলেন, ‘ইরানের সদিচ্ছা থাকার পরও এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আলোচনার মাঝপথে  দুইবার তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে এবং অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ করেছে।তিনি বলেন, ‘আমাদের সদিচ্ছা আছে, কিন্তু (আমেরিকানদের ওপর) আমাদের আস্থা নেই।ইরানের প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক উল্লেখ করেন, যদি আমেরিকান পক্ষ একটি প্রকৃত চুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকে এবং ইরানি জাতির অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়, তবে তারা ইরানের পক্ষ থেকেও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুতি দেখতে পাবে।

পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। কিন্তু আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বক্তব্য, যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পাকিস্তানের তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার আলোচনায় অংশ নেবেন।