ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রিজভী ক্রীড়া কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ বললেন জামাল ভূঁইয়া এবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা করলো ইরান ভারতে রাস্তায় নামাজ আদায় করায় মুসল্লিকে আটক করল পুলিশ ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাননি মির্জা আব্বাসের স্ত্রীসহ যারা ইরানি জাহাজ আটকের জেরে ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা: আল জাজিরা ইরানের বিরুদ্ধে ‘ব্লেইম গেম’ খেলছে যুক্তরাষ্ট্র: ইসমাইল বাঘাই ইরানে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা চিৎকার করেন ট্রাম্প

হাসিনার চেয়েও বিএনপিকে বেশি ভয় করছে জামায়াত-এনসিপি: রনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রতি যে সহযোগিতা করতে চেয়েছিল জামায়াত ও এনসিপি, এখন তার কোনো লক্ষণ আর দেখা যাচ্ছে না। বরং তারা এমন অবস্থানে গেছে, যেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের চেয়েও বিএনপিকে বেশি ভয়ঙ্কর হিসেবে বিবেচনা করছে। সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল তন্ত্রমন্ত্রে দেওয়া এক বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে জামায়াতে উপর চড়াও হয়েছিল।

তার চেয়েও বেশি মানে হাঙ্কিপাঙ্কি ভুংভাং জামায়াত করে তাহলে তার চেয়ে অনেক বেশি নিষ্ঠুরতা নিয়ে জামায়াতে বিরুদ্ধে রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করা হবে।জামায়াতে অফিসে তালা লাগানো হয়েছিল। জামায়াতকে এক্সিকউটিভ অর্ডার দিয়ে তাদের রাজনীতির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু দল হিসেবে জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করেনি শেখ হাসিনা। দল হিসেবে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেনি। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এখন যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে অভিযুক্ত। তাদের বিচার করা হবে।

আওয়ামী লীগের মতো একটা বিরোধী বড় দল ও ঐতিহ্যবাহী দলকে যদি এই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে তাহেলে জামায়াত কোন ড্যাস। জামায়াকে তারা কি করতে পারে এটা জামায়াত কি বোঝে না? ফলে জামায়াত বাসর রাতে বিড়াল মারার যে পরিকল্পনা নিয়েছে সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের যে তরুণ তুর্কি আছে তাদেরকে খেপিয়ে তুলছে। জামায়াতের যে অংশটি সম্ভবত ড. ইউনূসের সঙ্গে যাদের দহরমমহরম সম্পর্ক ছিল সবার বিরুদ্ধে তারা এখন উঠেপড়ে লাগছে। তারা আসিফ নজরুলের বিচার চাচ্ছেন। যখনই আসিফ নজরুলকে গ্রেপ্তার করা হবে।

রেজওয়ানাকে গ্রেপ্তার করা হবে। সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবীর খানকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরো যারা আছেন আদিলুর রহমান শুভ্র, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন অনেক গুপ্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এই লোকগুলোর বিরুদ্ধে যদি জনমত জরিপ করে ফেলা হয় তাহলে এদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের ব্যাপারমাত্র।তিনি আরো বলেন, দেশের পত্রপত্রিকা, সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক মাধ্যম এদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। এছাড়া জামায়াত ও এনসিপি সরাসরি কথা বলছে এদের বিরুদ্ধে। আর এরা যদি গ্রেপ্তারবরণ করেন এবং মামলার মধ্যে পড়েন, বিব্রতকর পরিস্থিতেতে পড়েন কিংবা রাস্তায় বের হতে না পারেন তাহলে ওই যে ডিপস্টেটের যে কানেক্টটিভিটি ছিল। সেই কানেক্টিভিটি বুমেরাং হয়ে যাবে। যেটা সরকার সামাল দিতে পারবে না। এই কাজটিই করা হচ্ছে অসম্ভব মেটিকুলাস ডিজাইনের অ্যান্ডারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি

হাসিনার চেয়েও বিএনপিকে বেশি ভয় করছে জামায়াত-এনসিপি: রনি

আপডেট সময় ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

এবার সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রতি যে সহযোগিতা করতে চেয়েছিল জামায়াত ও এনসিপি, এখন তার কোনো লক্ষণ আর দেখা যাচ্ছে না। বরং তারা এমন অবস্থানে গেছে, যেখানে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের চেয়েও বিএনপিকে বেশি ভয়ঙ্কর হিসেবে বিবেচনা করছে। সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল তন্ত্রমন্ত্রে দেওয়া এক বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে জামায়াতে উপর চড়াও হয়েছিল।

তার চেয়েও বেশি মানে হাঙ্কিপাঙ্কি ভুংভাং জামায়াত করে তাহলে তার চেয়ে অনেক বেশি নিষ্ঠুরতা নিয়ে জামায়াতে বিরুদ্ধে রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করা হবে।জামায়াতে অফিসে তালা লাগানো হয়েছিল। জামায়াতকে এক্সিকউটিভ অর্ডার দিয়ে তাদের রাজনীতির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু দল হিসেবে জামায়াতকে বিচারের মুখোমুখি করেনি শেখ হাসিনা। দল হিসেবে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেনি। কিন্তু দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এখন যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে অভিযুক্ত। তাদের বিচার করা হবে।

আওয়ামী লীগের মতো একটা বিরোধী বড় দল ও ঐতিহ্যবাহী দলকে যদি এই পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে তাহেলে জামায়াত কোন ড্যাস। জামায়াকে তারা কি করতে পারে এটা জামায়াত কি বোঝে না? ফলে জামায়াত বাসর রাতে বিড়াল মারার যে পরিকল্পনা নিয়েছে সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাদের যে তরুণ তুর্কি আছে তাদেরকে খেপিয়ে তুলছে। জামায়াতের যে অংশটি সম্ভবত ড. ইউনূসের সঙ্গে যাদের দহরমমহরম সম্পর্ক ছিল সবার বিরুদ্ধে তারা এখন উঠেপড়ে লাগছে। তারা আসিফ নজরুলের বিচার চাচ্ছেন। যখনই আসিফ নজরুলকে গ্রেপ্তার করা হবে।

রেজওয়ানাকে গ্রেপ্তার করা হবে। সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবীর খানকে গ্রেপ্তার করা হবে। আরো যারা আছেন আদিলুর রহমান শুভ্র, ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন অনেক গুপ্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এই লোকগুলোর বিরুদ্ধে যদি জনমত জরিপ করে ফেলা হয় তাহলে এদের বিচারের আওতায় আনা এখন সময়ের ব্যাপারমাত্র।তিনি আরো বলেন, দেশের পত্রপত্রিকা, সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক মাধ্যম এদের বিরুদ্ধে কথা বলেছে। এছাড়া জামায়াত ও এনসিপি সরাসরি কথা বলছে এদের বিরুদ্ধে। আর এরা যদি গ্রেপ্তারবরণ করেন এবং মামলার মধ্যে পড়েন, বিব্রতকর পরিস্থিতেতে পড়েন কিংবা রাস্তায় বের হতে না পারেন তাহলে ওই যে ডিপস্টেটের যে কানেক্টটিভিটি ছিল। সেই কানেক্টিভিটি বুমেরাং হয়ে যাবে। যেটা সরকার সামাল দিতে পারবে না। এই কাজটিই করা হচ্ছে অসম্ভব মেটিকুলাস ডিজাইনের অ্যান্ডারে।