ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মাওলানা গ্রেপ্তার খামারিদের বাড়িতে বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি: ডাকাতি করতে আসবো, দরজা না খুললে ‘জিন্দা খালাস’ ওমান উপসাগরকে মার্কিন জাহাজের ‘কবরস্থানে’ পরিণত করা হবে: ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি শহীদ ও আহতদের পাশে তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন, ৭ লক্ষাধিক টাকা বিতরণ নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার সুখবর দিলো কাতার আওয়ামী লীগকে আর কখনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: হাসনাত  রাস্তার ইট তুলে নিজ বাড়িতে পাকা বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে গঙ্গা নদীতে আমিষ বর্জ্য ফেলা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: ভারতীয় হাইকোর্ট বিএনপির ১৮ নেতা-কর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিরকুট ও বোমা রেখে গেল দুর্বৃত্তরা!

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী-এর সমালোচনার প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ধরনের বক্তব্য শুনতে তারা অভ্যস্ত। তিনি বলেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী প্রায়ই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতেন, কিন্তু দেখা শেষে দরজার বাইরে গিয়েই কমিশনকে গালি দিতেন।

সোমবার রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফডি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি। নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আরএফইডির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিইসি বলেন, অনেকের কাছে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্য নতুন মনে হতে পারে, তবে এতে তিনি মোটেও মনঃক্ষুণ্ণ নন। তার ভাষায়, “শুধু প্রশংসা করলে সঠিক মূল্যায়ন হয় না। উনি নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যা বিশ্বাস করেছেন, সেটাই বলেছেন। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।”

তিনি আরও বলেন, অতীতে একপক্ষীয় প্রশংসার সংস্কৃতিই দেশের ক্ষতি করেছে। “সবাই শুধু এক পক্ষের প্রশংসা করেছে, আর সেই একপেশে প্রশংসার ফল হিসেবেই দেশের এই বিপ্লব হয়েছে। শুধু একজনের প্রশংসা করতে গিয়েই আমরা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি,” বলেন সিইসি।

জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সরকার ছাড়া নির্বাচন পরিচালনা প্রায় অসম্ভব। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টা তার উপদেষ্টা পরিষদকে নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

সিইসির ভাষ্য, “তারা আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছেন। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল— নির্বাচন কমিশনের কাজে যেন কেউ নাক না গলায়।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসীর স্ত্রীর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মাওলানা গ্রেপ্তার

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী-এর সমালোচনার প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ধরনের বক্তব্য শুনতে তারা অভ্যস্ত। তিনি বলেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী প্রায়ই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করতেন, কিন্তু দেখা শেষে দরজার বাইরে গিয়েই কমিশনকে গালি দিতেন।

সোমবার রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফডি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি। নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আরএফইডির নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সিইসি বলেন, অনেকের কাছে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বক্তব্য নতুন মনে হতে পারে, তবে এতে তিনি মোটেও মনঃক্ষুণ্ণ নন। তার ভাষায়, “শুধু প্রশংসা করলে সঠিক মূল্যায়ন হয় না। উনি নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে যা বিশ্বাস করেছেন, সেটাই বলেছেন। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।”

তিনি আরও বলেন, অতীতে একপক্ষীয় প্রশংসার সংস্কৃতিই দেশের ক্ষতি করেছে। “সবাই শুধু এক পক্ষের প্রশংসা করেছে, আর সেই একপেশে প্রশংসার ফল হিসেবেই দেশের এই বিপ্লব হয়েছে। শুধু একজনের প্রশংসা করতে গিয়েই আমরা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি,” বলেন সিইসি।

জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, সরকার ছাড়া নির্বাচন পরিচালনা প্রায় অসম্ভব। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টা তার উপদেষ্টা পরিষদকে নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

সিইসির ভাষ্য, “তারা আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছেন। স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল— নির্বাচন কমিশনের কাজে যেন কেউ নাক না গলায়।”