ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকানের জায়গা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২০

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় সৈয়দ জামাল নামে এক ব্যক্তি টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

 

রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী গোষ্ঠীর জুবায়ের এবং মধ্যবাড়ি বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়ার মধ্যে একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দোকানটি জুবায়েরের দখলে ছিল। পরে স্থানীয় সালিশে চার দিন আগে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। তবে মিন্দার আলী গোষ্ঠীর লোকজন ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে।

 

এ নিয়ে রোববার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।

 

আহতদের মধ্যে মিন্দার আলী গোষ্ঠীর সৈয়দ জামালের পিঠে টেঁটা বিদ্ধ হয়। তিনি থলিয়ারা গ্রামের হাজী জাহের মিয়ার ছেলে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশও মোতায়েন করা হয়।

 

নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূইয়া বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল ঘিরে গ্রেপ্তার ৪৭,ওসি ক্লোজড

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দোকানের জায়গা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট সময় ১০:০৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার থলিয়ারা গ্রামে দোকানের জায়গা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় সৈয়দ জামাল নামে এক ব্যক্তি টেঁটাবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

 

রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামের মিন্দার আলী গোষ্ঠীর জুবায়ের এবং মধ্যবাড়ি বড় গোষ্ঠীর জয়নাল মিয়ার মধ্যে একটি দোকানের জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দোকানটি জুবায়েরের দখলে ছিল। পরে স্থানীয় সালিশে চার দিন আগে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। তবে মিন্দার আলী গোষ্ঠীর লোকজন ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে।

 

এ নিয়ে রোববার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন।

 

আহতদের মধ্যে মিন্দার আলী গোষ্ঠীর সৈয়দ জামালের পিঠে টেঁটা বিদ্ধ হয়। তিনি থলিয়ারা গ্রামের হাজী জাহের মিয়ার ছেলে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

সংঘর্ষের খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশও মোতায়েন করা হয়।

 

নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূইয়া বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি।