ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন রাকসু নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকীকে ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাংস্কৃতিক–বিষয়ক সম্পাদক জায়িদ হাসান।

 

শনিবার (২৭ জুন) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে এই কটাক্ষ করেন তিনি।

 

ওই পোস্টের ক্যাপশনে জায়িদ হাসান লেখেন, ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস আজ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বাস্তবায়ন করেছিল বিদেশি নকশা।’ আর পোস্টের ফটোকার্ডে লেখা ছিল, ‘শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিকে মূলধারায় আনতে গঠন করেছিলেন গণ-আদালত।’

 

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকে এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন এবং জায়িদ হাসানের পদ স্থগিতের দাবি জানান।

 

এরপর জায়িদ হাসান এ বিষয়ে আরেকটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি কোনো শহীদের মাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করিনি। বাংলাদেশে মব কালচারের গোড়াপত্তনকারী জাহানারা ইমামকে জাহান্নামের ইমাম বলেছি। শহীদের মা পরিচয় কারও খুনি পরিচয় মুছে দিতে পারে না। লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের ইমাম’ বললেন রাকসু নেতা

আপডেট সময় ১২:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকীকে ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাংস্কৃতিক–বিষয়ক সম্পাদক জায়িদ হাসান।

 

শনিবার (২৭ জুন) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে এই কটাক্ষ করেন তিনি।

 

ওই পোস্টের ক্যাপশনে জায়িদ হাসান লেখেন, ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস আজ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বাস্তবায়ন করেছিল বিদেশি নকশা।’ আর পোস্টের ফটোকার্ডে লেখা ছিল, ‘শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিকে মূলধারায় আনতে গঠন করেছিলেন গণ-আদালত।’

 

পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকে এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন এবং জায়িদ হাসানের পদ স্থগিতের দাবি জানান।

 

এরপর জায়িদ হাসান এ বিষয়ে আরেকটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি কোনো শহীদের মাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করিনি। বাংলাদেশে মব কালচারের গোড়াপত্তনকারী জাহানারা ইমামকে জাহান্নামের ইমাম বলেছি। শহীদের মা পরিচয় কারও খুনি পরিচয় মুছে দিতে পারে না। লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার।’