ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

১১২ বছর পর খুলে দেওয়া হলো ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের গুমুশহানে প্রদেশে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ ১১২ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

 

দীর্ঘদিনের সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ শেষে সম্প্রতি জুমার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম জুমার জামাতে ইমামতি করেন স্থানীয় মুফতি খায়রি আরনায়। এ সময় বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজে অংশ নেন।

 

প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো এই মসজিদটি সেলজুক যুগের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। সংস্কারকাজে এর ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও মূল স্থাপত্য যথাসম্ভব অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।

 

১৯১৪ সালের পর বিভিন্ন কারণে মসজিদটি বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ২০০৫ সালে তুরস্কের ফাউন্ডেশনস জেনারেল ডিরেক্টরেটের তত্ত্বাবধানে এর সংস্কার কাজ শুরু হয়। প্রায় দুই দশকের প্রচেষ্টার পর ২০২৫ সালে সংস্কার সম্পন্ন হলে ১১২ বছর পর আবারও মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুফতি খায়রি আরনায় বলেন, দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর মসজিদটি আবারও ইবাদতের জন্য খুলে দেওয়া স্থানীয় জনগণের জন্য আনন্দের বিষয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এখন থেকে এখানে নিয়মিত নামাজ ও ইবাদত চালু থাকবে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও দৃঢ় হবে।

 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমি বাংলাদেশকে পছন্দ করি’

১১২ বছর পর খুলে দেওয়া হলো ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ

আপডেট সময় ০৮:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের গুমুশহানে প্রদেশে অবস্থিত শতবর্ষী ঐতিহাসিক কুচুক মসজিদ ১১২ বছর বন্ধ থাকার পর আবারও মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

 

দীর্ঘদিনের সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ কাজ শেষে সম্প্রতি জুমার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে মসজিদটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম জুমার জামাতে ইমামতি করেন স্থানীয় মুফতি খায়রি আরনায়। এ সময় বিপুল সংখ্যক মুসল্লি নামাজে অংশ নেন।

 

প্রায় এক হাজার বছরের পুরোনো এই মসজিদটি সেলজুক যুগের স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। সংস্কারকাজে এর ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য ও মূল স্থাপত্য যথাসম্ভব অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।

 

১৯১৪ সালের পর বিভিন্ন কারণে মসজিদটি বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ২০০৫ সালে তুরস্কের ফাউন্ডেশনস জেনারেল ডিরেক্টরেটের তত্ত্বাবধানে এর সংস্কার কাজ শুরু হয়। প্রায় দুই দশকের প্রচেষ্টার পর ২০২৫ সালে সংস্কার সম্পন্ন হলে ১১২ বছর পর আবারও মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুফতি খায়রি আরনায় বলেন, দীর্ঘ এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর মসজিদটি আবারও ইবাদতের জন্য খুলে দেওয়া স্থানীয় জনগণের জন্য আনন্দের বিষয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এখন থেকে এখানে নিয়মিত নামাজ ও ইবাদত চালু থাকবে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে ঐক্য আরও দৃঢ় হবে।