ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পানির নিচে সেন্টমার্টিনের প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকা 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৮৮২ বার পড়া হয়েছে

এবার টানা ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চারটি গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ড্রেনেজব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকছে বসতঘরে। শনিবার (২৮ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দ্বীপের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর পাশে পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেন নেই। ফলে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি জোয়ারের পানি ঢুকলে তা দ্রুত সরে যেতে পারে না। এতে গ্রামগুলোতে পানি জমে যায়।

তিনি আরও বলেন, বর্ষার শুরু থেকে দ্বীপে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণের কারণে সেন্টমার্টিনের চারটি গ্রামের ঘরে ঘরে পানি ঢুকে পড়ে। পানি সরতে দেরি হওয়ায় মানুষ ঘরেই বন্দি হয়ে পড়েছেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন বলেন, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সেন্টমার্টিনের অন্তত ১০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছি। পাশাপাশি, দ্বীপে পানি দ্রুত অপসারণে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সেন্টমার্টিন কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এ দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের লোকসংখ্যা আনুমানিক ১০ হাজার। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে ১১টি গ্রাম রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পানির নিচে সেন্টমার্টিনের প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকা 

আপডেট সময় ০৩:৩৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

এবার টানা ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চারটি গ্রামের শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ড্রেনেজব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে থাকছে বসতঘরে। শনিবার (২৮ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দ্বীপের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর পাশে পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেন নেই। ফলে ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি জোয়ারের পানি ঢুকলে তা দ্রুত সরে যেতে পারে না। এতে গ্রামগুলোতে পানি জমে যায়।

তিনি আরও বলেন, বর্ষার শুরু থেকে দ্বীপে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ভারী বর্ষণের কারণে সেন্টমার্টিনের চারটি গ্রামের ঘরে ঘরে পানি ঢুকে পড়ে। পানি সরতে দেরি হওয়ায় মানুষ ঘরেই বন্দি হয়ে পড়েছেন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহেসান উদ্দিন বলেন, বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় সেন্টমার্টিনের অন্তত ১০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আমরা তাদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা পাঠাচ্ছি। পাশাপাশি, দ্বীপে পানি দ্রুত অপসারণে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, সেন্টমার্টিন কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এ দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা। ২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের লোকসংখ্যা আনুমানিক ১০ হাজার। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে ১১টি গ্রাম রয়েছে।