ধরে নিন, ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা উঠেছে ব্রাজিলের হাতে। ১৯ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের রাতের আকাশ তখন যেন সবুজ-হলুদের উল্লাসে আলোকিত। সেই আকাশের প্রতিটি তারায় জ্বলজ্বল করছেন নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কুনহা ও ব্রাজিলের বাকি নায়কেরা।
দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০০২ সালের পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সেলেসাও। বহু প্রতীক্ষিত ‘হেক্সা’ স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। ব্রাজিল সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই এই স্বপ্ন দেখে আসছে বছরের পর বছর। এবার পূরণ হবে কিনা তা সময়ই বলে দেবে।
১৯ জুলাইয়ের ফাইনালের পর ব্রাজিলের জন্য অপেক্ষা করছে নতুন চ্যালেঞ্জের। বিশ্বকাপের পর ব্রাজিল কী করবে তা নিশ্চিত হয়ে গেছে। বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবেন নেইমাররা। সেপ্টেম্বরে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে দুই দল। সোমবার অস্ট্রেলিয়া ফুটবল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর টাউনসভিলে প্রথম এবং ২৯ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ টনি পপোভিচ বলেন, ‘ব্রাজিল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দেশ। অস্ট্রেলিয়ায় তাদের বিপক্ষে খেলতে আমরা মুখিয়ে আছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের মূল মনোযোগ বিশ্বকাপে। তবে ভবিষ্যতে নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তুলতে নিয়মিত শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে চাই। তাই এমন ম্যাচ নিশ্চিত হওয়ায় আমি খুবই আনন্দিত।’
১৯৮৮ সালে প্রথম দেখার পর দুই দল এখন পর্যন্ত ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাজিল জিতেছে ৮টি ম্যাচ, অস্ট্রেলিয়া জিতেছে মাত্র একটি এবং দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। এই দুটি ম্যাচ আয়োজনে কুইন্সল্যান্ড রাজ্য সরকার বৃহৎ ক্রীড়া আয়োজনের পরিকল্পনার অংশ। ২০৩২ সালের ব্রিসবেন অলিম্পিককে সামনে রেখে অস্ট্রেলিয়ার ‘ইভেন্টস ক্যাপিটাল’ হিসেবে কুইন্সল্যান্ডকে আরও প্রতিষ্ঠিত করাই তাদের লক্ষ্য।
বর্তমানে বিশ্বকাপে দুই দলই শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করেছে। ব্রাজিল আজ রাতেই হিউস্টনে জাপানের মুখোমুখি হবে। আর অস্ট্রেলিয়া ৩ জুলাই ডালাসে খেলবে মিশরের বিপক্ষে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















