ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ ক্লাইভের সঙ্গে মীর জাফরের চুক্তি আর আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের চুক্তি একইঃ ফজলুর রহমান ভারতে মসজিদকে মন্দির ঘোষণা আদালতের, নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা পাকিস্তানের সঙ্গে অতিরিক্ত সম্পর্ক আমাদের জাতিকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে: ফজলুর রহমান আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন কারিনা: আসিফ মাহমুদ বড় চুক্তি ছাড়াই শেষ হলো ট্রাম্পের চীন সফর একই ভুল করলে বিএনপির অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতো হবে: ফজলুর রহমান আল্লাহ আর তাকে কষ্ট দিতে চাননি, তাই রহমতের ছায়ায় নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন: কায়সার হামিদ স্বামীকে হত্যা করে লাশ টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা স্ত্রী

যারা জুলাইকে ভুলিয়ে দিতে চাইবে, তারা নব্য মীর জাফর হিসেবে চিহ্নিত হবে: চিফ প্রসিকিউটর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

এবার চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, যে জাতি তার বীর সন্তানদের মনে রাখে না সেই জাতি কখনো তার সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করতে পারে না। আমরা যদি আমাদের জাতীয় বীরদেরকে ভুলে যাই আগামীতে যখন আবার এরকম স্বৈরশাসন চেপে বসবে, তখন জীবন দেয়ার জন্য আনাস, মুগ্ধ, আবু সাঈদ, ওয়াসিম তারা কিন্তু জীবন দিতে এগিয়ে আসবে না।

তিনি আরো বলেন, মনে রাখতে হবে জীবন দেয়ার জন্য এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে আমরা উপস্থাপন করেছিলাম। যারা জীবন দিয়েছেন ১৪০০ শহীদ তারাই জাতির সবচাইতে মূল্যবান সন্তান ছিল, মূল্যবান উপহার ছিল, সেটা আমরা জাতির কল্যাণে কুরবানী দিয়েছি। এই শহীদদেরকে যারা ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবে, এই জুলাইকে যারা ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবে, এই জুলাইকে যারা ম্লান করার চেষ্টা করবে, এই জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, আমি মনে করি এই শতাব্দীর নব্য মীরজাফর হিসেবে তারা চিহ্নিত হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের এই স্বপ্ন কোনদিন ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। এই সুযোগ শতাব্দীতে একবার আসে, এই অন্ধকার সময়ে রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ হয়েছিল, বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক কৌশল ব্যর্থ হয়েছিল। তখন এই মুগ্ধ, আবু সাঈদ, আসিফ, নাহিদ তারা যদি জীবন দেয়ার জন্য এগিয়ে না আসতো এই অন্ধকার সময় আরো এক শতাব্দীতে নাও কাটতে পারত। এই শহীদদেরকে আমরা চিরদিন মনে রাখবো, এই শহীদরা আমাদের জাতির সর্বোত্তম সম্পদ, তাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা এটা মনে রাখতে হবে। আগামী প্রজন্ম প্রয়োজনে আবারও জীবন দেয়ার জন্য রাজপথে যাতে নেমে আসতে পারে, সেইজন্য এই শহীদদেরকে আমাদের মনে রাখতে হবে। এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না।

তিনি আরো বলেন, আমি চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, অপরাধী যারা ছিল তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। বিশেষ করে চানখারপুলে ৫ই আগস্টে যে ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের বিচারের চার্জ গঠনের আদেশ হবে আগামী ১৪ তারিখে এবং তারপরেই ৫ই আগস্টের প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে এবং যারা নির্বিচারে পাখির মত মানুষকে মেরেছে প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি করবো। বিচার দৃষ্টান্তমূলক হবে, যাতে কেউ এইভাবে আমাদের সন্তানদের উপর হাত তোলার দুঃসাহস আগামী এক শতাব্দীতে আর দেখানোর সুযোগ পায় না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামে বাঁচছে ইরানের লাখ লাখ শিশু, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ

যারা জুলাইকে ভুলিয়ে দিতে চাইবে, তারা নব্য মীর জাফর হিসেবে চিহ্নিত হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

এবার চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, যে জাতি তার বীর সন্তানদের মনে রাখে না সেই জাতি কখনো তার সাফল্যের চূড়ায় আরোহণ করতে পারে না। আমরা যদি আমাদের জাতীয় বীরদেরকে ভুলে যাই আগামীতে যখন আবার এরকম স্বৈরশাসন চেপে বসবে, তখন জীবন দেয়ার জন্য আনাস, মুগ্ধ, আবু সাঈদ, ওয়াসিম তারা কিন্তু জীবন দিতে এগিয়ে আসবে না।

তিনি আরো বলেন, মনে রাখতে হবে জীবন দেয়ার জন্য এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে আমরা উপস্থাপন করেছিলাম। যারা জীবন দিয়েছেন ১৪০০ শহীদ তারাই জাতির সবচাইতে মূল্যবান সন্তান ছিল, মূল্যবান উপহার ছিল, সেটা আমরা জাতির কল্যাণে কুরবানী দিয়েছি। এই শহীদদেরকে যারা ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবে, এই জুলাইকে যারা ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবে, এই জুলাইকে যারা ম্লান করার চেষ্টা করবে, এই জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, আমি মনে করি এই শতাব্দীর নব্য মীরজাফর হিসেবে তারা চিহ্নিত হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের এই স্বপ্ন কোনদিন ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না। এই সুযোগ শতাব্দীতে একবার আসে, এই অন্ধকার সময়ে রাজনীতিবিদরা ব্যর্থ হয়েছিল, বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক কৌশল ব্যর্থ হয়েছিল। তখন এই মুগ্ধ, আবু সাঈদ, আসিফ, নাহিদ তারা যদি জীবন দেয়ার জন্য এগিয়ে না আসতো এই অন্ধকার সময় আরো এক শতাব্দীতে নাও কাটতে পারত। এই শহীদদেরকে আমরা চিরদিন মনে রাখবো, এই শহীদরা আমাদের জাতির সর্বোত্তম সম্পদ, তাদের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা এটা মনে রাখতে হবে। আগামী প্রজন্ম প্রয়োজনে আবারও জীবন দেয়ার জন্য রাজপথে যাতে নেমে আসতে পারে, সেইজন্য এই শহীদদেরকে আমাদের মনে রাখতে হবে। এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না।

তিনি আরো বলেন, আমি চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, অপরাধী যারা ছিল তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে। বিশেষ করে চানখারপুলে ৫ই আগস্টে যে ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছিল, তাদের বিচারের চার্জ গঠনের আদেশ হবে আগামী ১৪ তারিখে এবং তারপরেই ৫ই আগস্টের প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে এবং যারা নির্বিচারে পাখির মত মানুষকে মেরেছে প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি করবো। বিচার দৃষ্টান্তমূলক হবে, যাতে কেউ এইভাবে আমাদের সন্তানদের উপর হাত তোলার দুঃসাহস আগামী এক শতাব্দীতে আর দেখানোর সুযোগ পায় না।