ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ আসিফের নিজ উপজেলাতেই ৪৫৩ কোটি, ২৪০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ফেনী ‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’- সারের মজুত নিয়ে সংসদে কৃষিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয়ীদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার দাবি জামায়াত এমপির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে: আসিফ মাহমুদ মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, যুবক আটক, এলাকায় উত্তেজনা

আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

দুদকের করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আগামী ৪ অক্টোবর।

 

এদিকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে আদালতকক্ষে ঢুকে দেখা যায় আসামি সাহেদ ও তার আইনজীবী বসে একসঙ্গে বিরিয়ানি খাচ্ছেন। এ সময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না।

 

পরে আদালতের পেশকার মো. জাহিদুল উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাহেদের আইনজীবী বিচারকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। খাওয়া শেষ হলে ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশি পাহাড়ায় সাহেদকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে হাজতখানায় নেওয়া হয়।’

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। মামলায় অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা না হলেও তদন্তে নাম আসায় অভিযোগপত্রেও তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সই ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৫ জানুয়ারি ১২ নম্বর সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ ‘এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট’: রাশেদ খান

আদালত কক্ষে আইনজীবীর সাথে বিরিয়ানি খেয়ে কারাগারে গেলেন সাহেদ

আপডেট সময় ০১:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুদকের করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬–এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন সাক্ষ্য গ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন আগামী ৪ অক্টোবর।

 

এদিকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে আদালতকক্ষে ঢুকে দেখা যায় আসামি সাহেদ ও তার আইনজীবী বসে একসঙ্গে বিরিয়ানি খাচ্ছেন। এ সময় বিচারক এজলাসে ছিলেন না।

 

পরে আদালতের পেশকার মো. জাহিদুল উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাহেদের আইনজীবী বিচারকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে অনুমতি নিয়েছেন। খাওয়া শেষ হলে ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশি পাহাড়ায় সাহেদকে আদালতকক্ষ থেকে বের করে হাজতখানায় নেওয়া হয়।’

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এর উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী এ মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। মামলায় অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে আসামি করা না হলেও তদন্তে নাম আসায় অভিযোগপত্রেও তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাইসেন্স নবায়ন না করা রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, সমঝোতা স্মারক সই ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে ৩ হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেছেন। ওই হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও অন্য কর্মকর্তাদের মাসিক খাবার খরচ হিসেবে ১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার চাহিদা তুলে ধরাসহ এর খসড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ২০২২ সালের ১২ জুন আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৫ জানুয়ারি ১২ নম্বর সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।