ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সোমালিয়ায় গোপন ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন যুদ্ধের ইঙ্গিত জামায়াত দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে : প্রতিমন্ত্রী নুর গণভোটের রায় উপেক্ষা করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ: মামুনুল হক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে আবারো হাসিনা প্রসঙ্গ ‘ভালো হয়ে যাও মাসুদ’ বলা বিআরটিএর সেই কর্মকর্তা এবার ঢাকায় শূকরের কিডনিতে ৯ মাস বাঁচলেন এক ব্যক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন রেকর্ড ‘মেয়ের বাড়িত যাওয়া হলো না, ফিরলেন লাশ হয়্যা’ সিফাত কেন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার, প্রশ্ন তাসনিম জারার ওসির চোখে খেলনা, র‍্যাব গিয়ে বলল ‘গ্রেনেড’ ঠাকুরগাঁওয়ে দরিদ্রের আইনি লড়াইয়ে ভরসা লিগ্যাল এইড, এক মাসে নিষ্পত্তি ১৮৪ মামলা

জামায়াত দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে : প্রতিমন্ত্রী নুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি আমার সহানুভূতি আছে, ভালো লাগা আছে। কিন্তু তারা যে পর্যায়ের রাজনীতি করছে, তা দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।’

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। বর্তমান সরকারে গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা রয়েছে। সরকারের উচিত মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন রাজপথে আন্দোলন করেছি, তখন অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেকেই কথা বলেন না, অনেকে বলার সাহসও করেন না। এই সাইবার সন্ত্রাস রুখে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা যদি ভুয়া আইডি খুলে, অশালীন ভাষা ব্যবহার করে এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করে, তাহলে সেটি কোনোভাবেই ইসলামী আদর্শের রাজনীতি হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী যদি ইসলামের আদর্শে রাজনীতি করে, তাহলে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণেও ইসলামের শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন থাকা উচিত। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা তার বিপরীত চিত্র দেখছি।’

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে। আমরা কথা বলার মানুষ। কোনো অঘটন দেখলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে পারি না। দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা কথা বলব।’

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অপপ্রচারে আমরা বিচলিত হবো না।’

নুরের দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। মানুষের কাছ থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সোমালিয়ায় গোপন ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন যুদ্ধের ইঙ্গিত

জামায়াত দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে : প্রতিমন্ত্রী নুর

আপডেট সময় ১১:৩৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশকে ভয়ংকর দিকে নিয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর। তিনি বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি আমার সহানুভূতি আছে, ভালো লাগা আছে। কিন্তু তারা যে পর্যায়ের রাজনীতি করছে, তা দেশকে ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।’

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে। সরকারের উচিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সাইবার অপপ্রচার ও দুর্বৃত্তায়ন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। বর্তমান সরকারে গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকা রয়েছে। সরকারের উচিত মিত্রদের যথাযথ মূল্যায়ন করা। মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হলে তা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন রাজপথে আন্দোলন করেছি, তখন অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন। বড় রাজনৈতিক সংকটের সময় যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর পৃষ্ঠপোষকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত করা হয়েছে। জামায়াতের সাইবার আক্রমণের কারণে সরকারি দলের অনেকেই কথা বলেন না, অনেকে বলার সাহসও করেন না। এই সাইবার সন্ত্রাস রুখে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা যদি ভুয়া আইডি খুলে, অশালীন ভাষা ব্যবহার করে এবং পরিকল্পিতভাবে অন্যদের আক্রমণ করে, তাহলে সেটি কোনোভাবেই ইসলামী আদর্শের রাজনীতি হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামী যদি ইসলামের আদর্শে রাজনীতি করে, তাহলে তাদের নেতাকর্মীদের আচরণেও ইসলামের শিক্ষা ও মহানবী (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন থাকা উচিত। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা তার বিপরীত চিত্র দেখছি।’

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদ জনগণের পাশে থেকে ভূমিকা রাখবে। আমরা কথা বলার মানুষ। কোনো অঘটন দেখলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে পারি না। দেশের স্বার্থে যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই আমরা কথা বলব।’

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব অপপ্রচারে আমরা বিচলিত হবো না।’

নুরের দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। মানুষের কাছ থেকে ফান্ড নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ কেউ প্রমাণ করতে পারলে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন।