ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত দরদ দেখিয়ে হেবা আইন পরিবর্তনের সুযোগ নেই: রফিকুল ইসলাম মাদানী চক্রান্তকারীরা বারবার ধর্মীয় সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা করেছে: রিজভী কুমিল্লায় মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০ নদীভাঙনে হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবে আহত ৭৩ ‘আমাকে কেউ নির্বাচন থেকে সরাতে পারবে না’- বলার পর রাতেই বিএনপি নেতার মৃত্যু হিন্দুদের সফরে সরিয়ে দেওয়া হলো নারী কর্মীদের, বন্ধ আইফেল টাওয়ার আজ জাতিসংঘ অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন খলিলুর রহমান মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান রাশিয়ার

নদীভাঙনে হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি- পটুয়াখালীর বাউফলে কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয় নদীর তীর থেকে মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট দূরে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়গুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নে বাড়ছে আতঙ্ক। ঝুঁকিতে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চররঘুনাথদ্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীর তীর থেকে বিদ্যালয়টির দূরত্ব এখন মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট। একইভাবে ভাঙনের মুখে রয়েছে হিসাজাত ও পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক মাসে পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের প্রায় ৫০ ফুট জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়িও। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শিক্ষার্থী/শিক্ষক: “ভাঙন যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিদ্যালয়গুলো নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” ভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা: “নদীভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিদ্যালয়গুলো রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

কারখানা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রক্ষায় দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি স্থানীয়দের।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিষ মেশানো ভাত খেয়ে কাতরাচ্ছিলেন স্বামী, স্ত্রী এনে দিলেন বিষাক্ত শরবত

নদীভাঙনে হুমকির মুখে তিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় ১১:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি- পটুয়াখালীর বাউফলে কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর মধ্যে একটি বিদ্যালয় নদীর তীর থেকে মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট দূরে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে বিদ্যালয়গুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙনে বাউফলের কাছিপাড়া ইউনিয়নে বাড়ছে আতঙ্ক। ঝুঁকিতে পড়েছে তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে চররঘুনাথদ্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীর তীর থেকে বিদ্যালয়টির দূরত্ব এখন মাত্র ২০ থেকে ২৫ ফুট। একইভাবে ভাঙনের মুখে রয়েছে হিসাজাত ও পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি, গত এক মাসে পশ্চিম কাছিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের প্রায় ৫০ ফুট জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অব্যাহত ভাঙনে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়িও। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শিক্ষার্থী/শিক্ষক: “ভাঙন যেভাবে বাড়ছে, তাতে বিদ্যালয়গুলো নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” ভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় বাসিন্দা: “নদীভাঙন আরও বাড়লে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বিদ্যালয়গুলো রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”

কারখানা নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে যেকোনো সময় নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় রক্ষায় দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধের দাবি স্থানীয়দের।